গাজাগামী “স্টেডফাস্টনেস ফ্লোটিলা”-এর ১৭০ জনের বেশি কর্মীর ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশের পর দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মানবিক সহায়তা নিয়ে গাজায় যাওয়ার চেষ্টা করা এসব কর্মীকে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী অপমানজনক আচরণের শিকার করছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির প্রকাশ্যে এসব ভিডিও নিয়ে গর্ব করার পর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। অনেকেই তার আচরণকে প্রকাশ্য বর্ণবাদী মনোভাব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রচারিত ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, কর্মীদের হাতকড়া পরিয়ে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা সদস্যরা তাদের গালিগালাজ, অপমান ও শারীরিক নির্যাতন করছে। ভিডিওতে হাসাহাসি, বিদ্রূপ এবং আরও নির্যাতন ও আটক রাখার হুমকিও শোনা যায়।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব দৃশ্য শুধু ফিলিস্তিনিদের প্রতি নয়, বরং গাজার অবরোধ ভাঙতে শান্তিপূর্ণ মানবিক উদ্যোগ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতিও দখলদার নীতির প্রকৃত চেহারা উন্মোচন করেছে।
কূটনৈতিক সংকটে রূপ নিল ঘটনা
ঘটনাটি দ্রুত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সংকটে রূপ নেয়। কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানায়। কেউ কেউ তীব্র ভাষায় নিন্দাও প্রকাশ করে।
এমনকি ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি-ও এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কট্টর জায়নবাদী অবস্থান এবং ইসরায়েলপন্থী মতের জন্য পরিচিত। কিন্তু এবার তিনিও এসব নির্যাতনকে “অপমানজনক এবং আন্তর্জাতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা এবং তা ঘিরে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দিচ্ছে যে, নিজেদের “সভ্য, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র” হিসেবে তুলে ধরতে ইসরায়েল বহু বছর ধরে যে ভাবমূর্তি তৈরি করেছিল, তা দ্রুত ভেঙে পড়ছে।
গাজা যুদ্ধ এবং পরবর্তী ধারাবাহিক নির্যাতন এখন দখলদার রাষ্ট্রটির বর্ণবাদী ও সহিংস চরিত্রকে আরও স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেল আবিবের বিচ্ছিন্নতা আরও বেড়েছে এবং বিশেষ করে ইউরোপের বহু ঐতিহ্যগত মিত্র দেশের সঙ্গে আস্থার দূরত্ব বাড়ছে।
তীব্র হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্ষোভ
ভিডিও প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের ঢেউ ওঠে। এর জেরে কয়েকটি সরকার তেল আবিবের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ছিল ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করা।
এই পদক্ষেপ নেওয়া নয়টি দেশ হলো কানাডা, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইতালি, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার ভিডিওগুলো দেখে “গভীরভাবে মর্মাহত” হওয়ার কথা জানান। ফ্রান্স ইসরায়েলি মন্ত্রীর আচরণকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে আখ্যা দেয়। ফরাসি আইনপ্রণেতা ও বামপন্থী নেতারা ইসরায়েলের হাতে “অবৈধভাবে” আটক কর্মীদের মুক্ত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জার্মানি ঘটনাটিকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে উল্লেখ করে। ইতালি জানায়, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে চাওয়া কর্মীদের সঙ্গে এমন আচরণ “কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়”।
ইউরোপের বাইরেও প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণ কোরিয়ার লি জে মিয়ং ঘটনাটিকে “সব সীমা লঙ্ঘন” বলে বর্ণনা করেন।
তুরস্ক অভিযোগ করে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের আচরণ “নিষ্ঠুর ও অপরাধমূলক মানসিকতার” প্রতিফলন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ইসরায়েলি “উসকানি” বন্ধ করতে হবে এবং তাদের “চলমান অপরাধ ও লঙ্ঘনের” জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধ করারও দাবি জানানো হয়।
পশ্চিমা গণমাধ্যমেও তীব্র সমালোচনা
সরকারি কূটনৈতিক চাপের পাশাপাশি পশ্চিমা গণমাধ্যমেও শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। বহু সংবাদমাধ্যম এই ঘটনাকে এমন একটি মোড় হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ভাবমূর্তি সংকটকে আরও গভীর করেছে।
দ্যা গার্ডিয়ান লিখেছে, এই ভিডিওগুলো ইসরায়েল সরকারের ওপর “নৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে”। বিশেষ করে ইউরোপীয় কর্মী ও আন্তর্জাতিক সংহতি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে এমন আচরণ ইউরোপজুড়ে ক্ষোভ বাড়াবে বলে তারা উল্লেখ করে।
দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, বিষয়টি এখন শুধু কর্মীদের আটক রাখার ঘটনা নয়; বরং পশ্চিমা জনমতের সামনে ইসরায়েলের ভাবমূর্তির একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফরাসি পত্রিকা ল্য মোঁদ এসব দৃশ্যকে “অপমানজনক” হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে “অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ” এবং সংহতি কর্মীদের প্রতিশোধমূলক আচরণের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ইউরোপের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে যে পশ্চিমা রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম পরিবেশে ইসরায়েলি নীতির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও বেসামরিক হতাহতের পর এই পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সিএনএন-ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে বাড়তে থাকা বিতর্কের কথা তুলে ধরে বলেছে, ক্রমবর্ধমান সংখ্যক মানুষ মনে করছেন, এ ধরনের দৃশ্য “ইসরায়েলের নিরাপত্তার চেয়ে বরং তার ভাবমূর্তির বেশি ক্ষতি করছে”।
অন্যদিকে ইতালির পত্রিকা কোরিয়েরে দেল্লা সেরা ইতামার বেন গাভিরকে ইসরায়েল সরকারের “সবচেয়ে চরমপন্থী ব্যক্তি” বলে বর্ণনা করেছে।
নেতানিয়াহু সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ
ভিডিও প্রকাশের পর নেতানিয়াহু সরকার বড় ধরনের রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম সংকটে পড়ে গেছে। এমনকি ইসরায়েলের ঐতিহ্যগত সমর্থকদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বহু বছর ধরে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলি সরকারের বক্তব্য সমর্থন করেছেন। কিন্তু এবার তিনিও ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রীর আচরণ “লজ্জাজনক ও আন্তর্জাতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য”।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দেয়, ভিডিওগুলো আন্তর্জাতিক জনমতের সামনে ইসরায়েলের ভাবমূর্তিকে কতটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে।
প্রচারিত ভিডিওগুলো আরও একবার প্রকাশ করেছে, নিরস্ত্র ও মানবিক উদ্দেশ্যে কাজ করা বেসামরিক কর্মীদের প্রতিও ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণ কতটা সহিংস ও অপমানজনক হতে পারে। ফলে “আত্মরক্ষার” অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে যে অবস্থান ইসরায়েল তুলে ধরত, তা এখন আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
বর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপ ও নিন্দার মুখে শেষ পর্যন্ত নেতানিয়াহু সরাসরি হস্তক্ষেপ করে কর্মীদের দখলকৃত অঞ্চল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।
একই সময়ে ইসরায়েল সরকারের ভেতর থেকেও সমালোচনা উঠেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, বেন গাভিরের আচরণ ইসরায়েলের ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও গণমাধ্যম সংকটকে গভীর করছে।
গাজা উন্মোচন করেছে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “স্টেডফাস্টনেস ফ্লোটিলা”-র কর্মীরা যে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তা গাজার মানুষ গত দুই বছরে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তার সঙ্গে তুলনাই চলে না।
গাজার বেসামরিক মানুষ গণহত্যা, অনাহার, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, গ্রেপ্তার এবং নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অথচ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো কার্যকরভাবে এই বিপর্যয় থামাতে বা দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে পারেনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমা নাগরিকত্বধারী কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় ইউরোপের দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং দুই মিলিয়নের বেশি ফিলিস্তিনির দীর্ঘ যুদ্ধ, অবরোধ ও নির্যাতনের ক্ষেত্রে সীমিত প্রতিক্রিয়ার মধ্যে যে বৈপরীত্য দেখা গেছে, তা পশ্চিমা বিশ্বে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের দ্বৈত মানদণ্ডকে স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
এই পার্থক্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, মানবিক মর্যাদা ও সমতার যে মূল্যবোধের কথা পশ্চিমা বিশ্ব বলে, তা কি সত্যিই সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য? বিশেষ করে যখন ক্রমেই এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে যে পশ্চিমা রাজনৈতিক ও নৈতিক কাঠামোয় ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য সমানভাবে বিবেচিত হয় না।
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার গভীর দ্বিচারিতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বহুদিন ধরে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের যে আদর্শিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল, এই যুদ্ধ তা ধীরে ধীরে ভেঙে দিয়েছে।
এ কারণেই গাজা যুদ্ধকে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম উন্মোচনকারী সংঘাত হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। শুধু মানবিক বিপর্যয়ের মাত্রার কারণে নয়, বরং এটি বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও নৈতিক আলোচনার সীমারেখাকেও নতুনভাবে নির্ধারণ করেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই যুদ্ধের পর বিশ্বের চেহারা আর আগের মতো থাকবে না।
সবশেষে প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা ও তার জনগণ তাদের ন্যায়সঙ্গত মানবিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের মাধ্যমে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের প্রকৃত চেহারা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জনমতে জায়নবাদী রাষ্ট্রটির বিচ্ছিন্নতা ক্রমেই বাড়ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই বৈশ্বিক সচেতনতার পরিবর্তন সম্ভব হতো না যদি গাজার মানুষ বোমাবর্ষণ ও অবরোধের মধ্যেও অবিচল না থাকতেন এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে ফিলিস্তিন ইস্যুকে বিশ্ব বিবেক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আলোচনার কেন্দ্রে না রাখতেন।
এই ত্যাগ ও দৃঢ়তাই ফিলিস্তিন প্রশ্নে বিশ্বজনমতকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন কমে আসা এবং ফিলিস্তিন ও তাদের ন্যায্য অধিকারের প্রতি বৈশ্বিক সহানুভূতি বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে।
কৃতজ্ঞতায় : Sunnah file web
২৩ মে ২০২৬ ইং
গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী
যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু
পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী
যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু
পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?
মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক
বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল
ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই
গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা
গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম
আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ