সর্বশেষ
  পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?   মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক   বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল   ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই   গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী   পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা   গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ   প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম   আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক   সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান   "সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা   বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ   দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির   হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত    গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন   আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?   ‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত   গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ   ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের   গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি   আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?   গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন   গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন করেছে   নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই   গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে   ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি   ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা   সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান   হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত   যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা   লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন   ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ   হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?

২১ জুন ২০২৬ ০৯:৫১ পূর্বাহ্ণ

    শেয়ার করুন

বুদ্ধিবট

বর্তমানে ইউরোপ ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশে বসবাসরত অনেক মুসলিম পরিবার নিজেদের ধর্মীয় শিকড়ের সন্ধানে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। কেউ আরও ভালোভাবে মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করতে, কেউ সন্তানদের ইসলামী শিক্ষা ও পরিচয় রক্ষা করতে, আবার কেউ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও উপযোগী ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবেশে বড় করে তুলতে মুসলিম দেশগুলোতে স্থানান্তর, রিলোকেশন বা হিজরাহর পরিকল্পনা করছেন।

এই পরিবারগুলোর একটি বড় অংশ প্রথমেই দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন কিংবা সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে তাকায়। নিরাপত্তা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উন্নত অবকাঠামো এবং তুলনামূলক আরামদায়ক জীবনযাপনের কারণে এসব দেশ স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় মনে হয়।

কিন্তু একটি মুসলিম পরিবারের জন্য সফল হিজরাহর মানদণ্ড কি শুধু নিরাপত্তা, উচ্চ আয়, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নত জীবনযাপন? নাকি সন্তানদের ইসলামী পরিচয়, আরবি ভাষা, দীনি শিক্ষা, সামাজিক সংযোগ, মানসিক দৃঢ়তা এবং বাস্তব জীবন পরিচালনার যোগ্যতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ? এই দৃষ্টিকোণ থেকে মিশর অনেক ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় আরও গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক স্কুলের গণ্ডির বাইরে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষার পরিবেশ
উপসাগরীয় দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা অনেকাংশে ব্যয়বহুল প্রাইভেট ও আন্তর্জাতিক স্কুলের ওপর নির্ভরশীল। এসব প্রতিষ্ঠানে উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং মানসম্মত একাডেমিক শিক্ষা থাকলেও, সেগুলোর পাঠ্যক্রম, শিক্ষাপদ্ধতি এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশ প্রায়ই ব্রিটিশ বা আমেরিকান ব্যবস্থার অনুসরণে গড়ে ওঠে।

ফলে একটি পরিবার ভৌগোলিকভাবে মুসলিম দেশে বসবাস করলেও সন্তান দিনের বড় অংশ এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে কাটাতে পারে, যার সামগ্রিক বিশ্বদৃষ্টি পশ্চিমা ও ধর্মনিরপেক্ষ। স্কুলে আরবি ভাষা বা ইসলামিক স্টাডিজের কয়েকটি ক্লাস থাকলেও, তা সবসময় শিশুর পূর্ণাঙ্গ ইসলামী পরিচয় ও মানসিকতা গঠনের জন্য যথেষ্ট হয় না।

অন্যদিকে, মিশরে আল-আজহারসহ অসংখ্য ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র, আরবি ভাষা ইনস্টিটিউট, আলেম, কারি এবং ব্যক্তিগত শিক্ষক পাওয়া যায়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি মসজিদভিত্তিক পাঠদান, ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধান এবং অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগও সেখানে ব্যাপক।

ফলে একটি পরিবার সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন, তাজবিদ, আরবি ভাষা, ফিকহ, আকিদা, সিরাহ এবং ইসলামী আদব শেখানোর একটি সমন্বিত ব্যবস্থা তুলনামূলক সহজে গড়ে তুলতে পারে।

বইয়ের আরবির পরিবর্তে জীবন্ত আরবি ভাষা
আরবি ভাষা শুধু ব্যাকরণ, শব্দতালিকা এবং পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে পুরোপুরি শেখা সম্ভব নয়। একটি ভাষাকে গভীরভাবে আয়ত্ত করতে হলে সেই ভাষায় কথা বলা, শোনা, কেনাকাটা করা, প্রতিবেশীর সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করা প্রয়োজন।

মিশরে বসবাস করলে শিশুরা প্রতিদিন স্বাভাবিকভাবে আরবি শুনতে ও বলতে পারে। স্থানীয় মিসরীয় উপভাষা শেখার পাশাপাশি মসজিদ, কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং ইসলামী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুদ্ধ আরবির সঙ্গেও তাদের পরিচয় তৈরি হয়।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক বিদেশি ও প্রবাসী বসবাস করার কারণে অনেক শহরে ইংরেজিই প্রধান যোগাযোগের ভাষায় পরিণত হয়েছে। স্কুল, অফিস, হাসপাতাল, দোকান এবং আবাসিক এলাকায় ইংরেজি ব্যবহার করেই জীবন চালানো সম্ভব। ফলে কোনো শিশু বহু বছর একটি আরব দেশে থেকেও আরবি ভাষায় সাবলীল না হতে পারে।

মিশরে এই সুযোগ কম। দৈনন্দিন প্রয়োজনেই তাকে আরবি ব্যবহার করতে হয়। এর মাধ্যমে ভাষা তার কাছে শুধু একটি শিক্ষার বিষয় নয়, বরং জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।

প্রবাসী বলয়ের পরিবর্তে একটি বাস্তব মুসলিম সমাজ
দুবাই, আবুধাবি, দোহা বা বাহরাইনের মতো শহরে প্রবাসী পরিবারগুলো প্রায়ই নিজ নিজ জাতীয়তা ও ভাষাভিত্তিক সামাজিক বলয়ের মধ্যে বসবাস করে। বাংলাদেশিরা বাংলাদেশিদের সঙ্গে, পাকিস্তানিরা পাকিস্তানিদের সঙ্গে এবং পশ্চিমা প্রবাসীরা নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে বেশি ওঠাবসা করে।

এভাবে বসবাস করলে একটি পরিবার পরিচিত ও নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ পেতে পারে। তবে শিশুরা বৃহত্তর স্থানীয় মুসলিম সমাজের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ কম পায়। তারা একটি আন্তর্জাতিক প্রবাসী বলয়ের মধ্যে বড় হয়, কিন্তু স্থানীয় সমাজের স্থায়ী অংশ হয়ে উঠতে পারে না।

মিশরের সামাজিক জীবন তুলনামূলকভাবে স্থানীয় ও স্থায়ী। মসজিদ, বাজার, পাড়া, স্কুল, আত্মীয়তা এবং প্রতিবেশী সম্পর্ক এখনো সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভাষা শিখতে পারলে একটি বিদেশি পরিবারও ধীরে ধীরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বাস্তব সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।

এই সামাজিক সম্পৃক্ততা শিশুদের মধ্যে প্রতিবেশীর অধিকার, পারস্পরিক সহযোগিতা, সামাজিক দায়িত্ব এবং উম্মাহর অংশ হওয়ার অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করে।

দৈনন্দিন জীবনে ইসলামী সংস্কৃতির উপস্থিতি
একটি মুসলিম শিশুর পরিচয় শুধু ইসলামিক স্কুল বা সপ্তাহান্তের মাদরাসার মাধ্যমে তৈরি হয় না। চারপাশের ভাষা, সামাজিক রীতি, মানুষের আচরণ, আজান, রমাদানের পরিবেশ, ঈদের সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন কথাবার্তাও তার মানসিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মিশরে ইসলামী পরিভাষা দৈনন্দিন ভাষার স্বাভাবিক অংশ। সাধারণ মানুষ কথাবার্তায় ইনশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, মাশাআল্লাহ এবং আল্লাহু আকবারের মতো শব্দ ব্যবহার করে। রমাদান, জুমু‘আ, ঈদ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপলক্ষ শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের বিষয় নয়; এগুলো সামাজিক জীবনেরও অংশ।

উপসাগরীয় দেশগুলোও মুসলিম দেশ এবং সেখানে ইসলামী আচার-অনুষ্ঠানের উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু বড় শহরগুলোর বহুজাতিক ও বাণিজ্যিক চরিত্রের কারণে অনেক পরিবার বাস্তবে এমন একটি প্রবাসী পরিবেশে বাস করে, যেখানে ইসলাম সামাজিক জীবনের কেন্দ্রের পরিবর্তে ব্যক্তিগত জীবনের একটি অংশ হয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, মিশরে ধর্মীয় ইতিহাস, ভাষা এবং সামাজিক সংস্কৃতি পরস্পরের সঙ্গে বেশি গভীরভাবে যুক্ত। এই পরিবেশ শিশুকে নিজের মুসলিম পরিচয় স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে সাহায্য করতে পারে।

কিছুটা কঠিন জীবন, কিন্তু বেশি বাস্তব দক্ষতা
উপসাগরীয় দেশগুলোর জীবন অত্যন্ত সুব্যবস্থিত। পরিবহন, বাসস্থান, কেনাকাটা, পরিচ্ছন্নতা এবং দৈনন্দিন সেবা সহজলভ্য। অধিকাংশ সমস্যার দ্রুত সমাধান পাওয়া যায় এবং অর্থের বিনিময়ে প্রায় সব ধরনের সুবিধা গ্রহণ করা সম্ভব। কিন্তু অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত ও আরামদায়ক পরিবেশ কখনো কখনো শিশুদের বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ থেকে দূরে রাখতে পারে। সবকিছু প্রস্তুত অবস্থায় পেলে তাদের মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া, ধৈর্য ধারণ করা, সমস্যা সমাধান করা এবং সীমিত সুযোগের মধ্যে পথ বের করার দক্ষতা কম তৈরি হতে পারে।

মিশরের জীবন সবসময় নিখুঁত বা সহজ নয়। যানজট, প্রশাসনিক জটিলতা, অনিয়মিত সেবা, ভিড় কিংবা ভাষাগত সমস্যা মোকাবিলা করতে হতে পারে। তবে সঠিক পারিবারিক তত্ত্বাবধানে এসব অভিজ্ঞতা শিশুকে ধৈর্যশীল, আত্মনির্ভরশীল, উদ্যোগী এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম করে তুলতে পারে।

জীবনের প্রতিটি অসুবিধাই উপকারী নয়। তবে নিয়ন্ত্রিত ও সহনীয় প্রতিকূলতা শিশুর চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যে শিশু ছোটবেলা থেকেই মানুষের সঙ্গে কথা বলা, অপেক্ষা করা, দর-কষাকষি করা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে শেখে, সে ভবিষ্যতে বিভিন্ন পরিবেশে সহজে টিকে থাকতে পারে।

কম খরচে ইসলামী শিক্ষা ও বহুমুখী কার্যক্রম
উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাসাভাড়া, স্কুল ফি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিশুদের অতিরিক্ত কার্যক্রমের খরচ অনেক বেশি হতে পারে। ভালো একটি আন্তর্জাতিক স্কুলে একাধিক সন্তানকে পড়ানো অনেক পরিবারের জন্য বড় আর্থিক চাপ হয়ে দাঁড়ায়।

মিশরে তুলনামূলক কম খরচে আরবি ভাষা, কুরআন, তাজবিদ, ইসলামী শিক্ষা এবং ব্যক্তিগত টিউশনের ব্যবস্থা করা যায়। ঘোড়ায় চড়া, সাঁতার, মার্শাল আর্ট, তীরন্দাজি এবং বিভিন্ন খেলাধুলার সুযোগও অনেক ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী।

কম খরচের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, অভিভাবকেরা শুধু স্কুল ফি’র পেছনে সমস্ত অর্থ ব্যয় না করে সন্তানদের বিভিন্ন দক্ষতা, বই, ভ্রমণ, ইসলামী শিক্ষা এবং পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যক্রমের পেছনেও বিনিয়োগ করতে পারেন। ফলে শিশুর শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফলাফলে সীমাবদ্ধ না থেকে শারীরিক, মানসিক, ধর্মীয় ও সামাজিক বিকাশের সমন্বিত প্রক্রিয়ায় পরিণত হতে পারে।

আলেম ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার সহজলভ্যতা
মিশরের অন্যতম বড় শক্তি হলো এর দীর্ঘ ইসলামী জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্য। দেশটিতে বিপুলসংখ্যক আলেম, কুরআনের শিক্ষক, আরবি ভাষাবিদ এবং বিভিন্ন ইসলামী বিষয়ের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন।

একটি পরিবার চাইলে সন্তানদের জন্য নিয়মিত কুরআনের শিক্ষক, আরবি ভাষার শিক্ষক কিংবা নির্দিষ্ট ইসলামী বিষয়ে ব্যক্তিগত উস্তাদ খুঁজে নিতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি আলেমদের দরস, মসজিদের হালাকা এবং বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে যোগ্য আলেম ও ইসলামী প্রতিষ্ঠান থাকলেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ, ব্যয় এবং ব্যস্ত প্রবাসী জীবনের কারণে সাধারণ পরিবারের জন্য সবসময় এসব সুযোগ সহজে গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। মিশরে ইসলামী জ্ঞান শুধু বিশেষ কোনো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি শহরের সামাজিক ও শিক্ষাগত পরিবেশের মধ্যেই ছড়িয়ে রয়েছে।

অস্থায়ী প্রবাসী পরিচয়ের পরিবর্তে সামাজিক সম্পৃক্ততা
উপসাগরীয় দেশগুলোতে দীর্ঘদিন বসবাস করলেও অধিকাংশ প্রবাসীর অবস্থান চাকরি, ভিসা বা স্পনসরশিপের সঙ্গে যুক্ত থাকে। চাকরি চলে গেলে কিংবা ভিসার শর্ত পরিবর্তিত হলে পরিবারকে দেশ ছাড়তে হতে পারে। বহু বছর থাকার পরও স্থায়ী নাগরিকত্ব বা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি সাধারণত নিশ্চিত হয় না।

ফলে শিশুরা এমন একটি দেশে বড় হতে পারে, যেটিকে তারা নিজের বাড়ি মনে করে, কিন্তু আইনগত ও সামাজিকভাবে তারা সেখানে সবসময় অস্থায়ী বাসিন্দা।

মিশরেও বিদেশিদের বসবাস, ভিসা বা নাগরিকত্বের বিষয় সবসময় সহজ নয়। তারপরও স্থানীয় ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি। একটি পরিবার সেখানে শুধু চাকরিনির্ভর প্রবাসী হিসেবে নয়, বরং স্থানীয় সমাজে অবদান রাখা একটি পরিবার হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।
হিজরাহকে তখন সাময়িক কর্মস্থল পরিবর্তনের পরিবর্তে একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা সম্ভব হয়।

ভোগের সংস্কৃতির পরিবর্তে সরল জীবন
উপসাগরীয় শহরগুলোর অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনের একটি বড় অংশ শপিং, ব্র্যান্ড, দামি গাড়ি, বিনোদন এবং বিলাসিতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। একটি শিশুর চারপাশে সবসময় সম্পদ ও সামাজিক মর্যাদার প্রদর্শনী থাকলে তার মধ্যে ভোগবাদী মানসিকতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

মিশরের জীবন তুলনামূলকভাবে সরল এবং সাধারণ মানুষের বাস্তবতার কাছাকাছি। সেখানে পরিবার, প্রতিবেশী, স্থানীয় বাজার, মসজিদ এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক দৈনন্দিন জীবনের বড় অংশ।

এই পরিবেশ সন্তানকে কৃতজ্ঞতা, মিতব্যয়িতা, মানুষের মূল্য, ভাগাভাগি এবং সামাজিক দায়িত্ব শেখাতে পারে। সে দেখতে পারে যে সুখ শুধু দামি পণ্য বা বিলাসী জীবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অবশ্যই সরল জীবন নিজে থেকেই তাকওয়া সৃষ্টি করে না। তবে সঠিক পারিবারিক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনার সঙ্গে এটি একটি শিশুর ভারসাম্যপূর্ণ ও দায়িত্বশীল মানসিকতা গঠনে সাহায্য করতে পারে।

শুধু সুবিধা গ্রহণ নয়, অবদান রাখার সুযোগ
হিজরাহর উদ্দেশ্য শুধু উন্নত সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হওয়া উচিত নয়। মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, ব্যবসা, দাওয়াহ এবং সমাজসেবায় অবদান রাখাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

ইউরোপ বা পশ্চিমা দেশ থেকে অর্জিত শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনো পরিবার মিশরে গেলে স্থানীয় সমাজের জন্যও উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষকতা, প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রযুক্তি, অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা সমাজসেবার মাধ্যমে নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলা সম্ভব।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে কঠোর ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক নিয়মের কারণে ছোট সামাজিক বা তৃণমূল উদ্যোগ শুরু করা ব্যয়বহুল এবং জটিল হতে পারে। মিশরেও প্রশাসনিক সমস্যা রয়েছে, তবে স্থানীয় সহযোগিতা ও সঠিক যোগাযোগ থাকলে তুলনামূলক কম খরচে শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কাজ শুরু করার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। এর মাধ্যমে হিজরাহ শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা আরাম লাভের বিষয় না হয়ে উম্মাহর জন্য অবদান রাখার একটি মিশনে পরিণত হতে পারে।

ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের প্রয়োজন
মিশরকে আদর্শ বা সমস্যামুক্ত দেশ হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক হবে না। সেখানে অর্থনৈতিক চাপ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, যানজট, স্বাস্থ্যসেবার মানের পার্থক্য, রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং কিছু এলাকায় শিক্ষাগত বা নিরাপত্তাজনিত সমস্যা থাকতে পারে।

একইভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর সুবিধাও অস্বীকার করা যায় না। নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, উন্নত অবকাঠামো, ভালো আয়, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কারণে অনেক পরিবারের জন্য উপসাগরীয় দেশই অধিক উপযুক্ত হতে পারে।

তাই সিদ্ধান্তটি “কোন দেশ সব দিক থেকে ভালো”—এই প্রশ্নের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয়। বরং প্রতিটি পরিবারের নিজস্ব অগ্রাধিকার, আয়, সন্তানের বয়স, শিক্ষার লক্ষ্য, ভাষাগত প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

যদি কোনো পরিবারের প্রধান লক্ষ্য হয় উচ্চ আয়, উন্নত অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং আরামদায়ক জীবন, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলো এগিয়ে থাকতে পারে।

আর যদি প্রধান লক্ষ্য হয় আরবি ভাষায় গভীরতা, ইসলামী শিক্ষার সহজলভ্যতা, স্থানীয় মুসলিম সমাজে সম্পৃক্ততা, সরল জীবন, কম খরচ এবং সন্তানদের মধ্যে বাস্তব জীবনের দৃঢ়তা তৈরি করা—তাহলে মিশর অধিক কার্যকর হতে পারে।

উপসংহার
উপসাগরীয় দেশগুলো অভিভাবকদের জীবনকে সহজ করতে পারে; কিন্তু মিশর সন্তানদের জীবনকে আরও গভীরভাবে গড়ে তোলার সুযোগ দিতে পারে। চকচকে অবকাঠামো ও উন্নত সুযোগ-সুবিধা তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেয়। কিন্তু ভাষা, ঈমান, চরিত্র, সামাজিক পরিচয়, ইসলামী জ্ঞান এবং প্রতিকূলতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা একটি শিশুকে সারাজীবনের জন্য প্রস্তুত করে।

একটি সফল হিজরাহর আসল প্রশ্ন তাই শুধু“কোথায় জীবন বেশি আরামদায়ক?” এটি নয়। বরং আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো“কোন পরিবেশে আমাদের সন্তানরা আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস, শক্তিশালী মুসলিম পরিচয়, বাস্তব জীবনদক্ষতা এবং উম্মাহর জন্য অবদান রাখার মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারবে?”

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত 

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

ঠিকানা: বি এ এস বি কমপ্লেক্স, ক্বারীপাড়া, আখালিয়া, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।

+8801932-188582

globalaffairsbrand@gmail.com, info@theglobalaffairs.info