সর্বশেষ
  ইসলামবিদ্বেষী অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা? তদন্তে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র এবং ৫০ কোটি প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের তথ্য   ভুলবশত ফেরত পাওয়া টাকা নিজের কাছে রাখা কি হালাল?   গাজায় শিশুদের সহায়তায় ১ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করলেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের বাংলাদেশি তারকা   ইউরোপ সংকটে, আর সেই সংকটের দায় চাপানো হচ্ছে মুসলিমদের ওপর   কিয়ামতের দিন নিঃস্ব মুসলিম: যখন কেড়ে নেওয়া হবে নেক আমল   আসামে উচ্ছেদ ১,১০০টিরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১০টি মসজিদ   কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া   সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান   গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?   আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের   ৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?   সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত   মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো   আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?   ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?   কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা   মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ   পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের   ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ   গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের   নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার   মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়   ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ   দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া   ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত   হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক   ২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন   প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ   পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল    লন্ডনে তালিমুল কুরআন ইউকে মসজিদের ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত   গাজায় মৃতদের দাফনের জন্যও ফুরিয়ে আসছে জায়গা   কেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব?   মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের সময় কী কী নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছিল?   যেসব বৈশিষ্ট্য ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে   রাসুল ﷺ ও তাঁর পরিবার মাসের পর মাস 'যে দুই কালো খাবারে' জীবনধারণ করেছিলেন   মেলবোর্নে মসজিদের কাছে মুসলিম বাবার ওপর হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ   ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক   স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা   যা আল্লাহর হাতে, তা আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দিন   কিয়ামতের অন্যতম বড় আলামত: দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ও তার ফিতনা থেকে মুক্তির পথ   গাজা যুদ্ধ বন্ধে একের পর এক উদ্যোগ, কিন্তু কেন বারবার ব্যর্থ হলো আলোচনা?   ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশ গাজা শান্তি পরিষদ চুক্তির শর্তাবলি   মুসলিম তরুণদের জন্য সূরা আল-কাহফের ৫টি অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষা   যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ দিনেই একটি মসজিদে হামলা: বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ, শঙ্কায় মুসলিম সমাজ   লন্ডনে AMTC-এর উদ্যোগে উদ্যোক্তা ও ফাউন্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত   উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন   ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো    যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার   গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬   গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের   বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী   যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু   পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?   মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক   বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল   ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই   গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী   পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা   গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ   প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম   আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক   সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান   "সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা   বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ   দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির   হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত    গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন   আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?   ‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত   গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ   ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের   গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি   আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?   গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন   গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন করেছে   নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই   গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে   ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি   ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা   সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান   হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত   যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা   লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন   ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ   হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

ইসলামবিদ্বেষী অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা? তদন্তে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র এবং ৫০ কোটি প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের তথ্য

২ নভেম্বর ২০২৬ ০১:২৫ অপরাহ্ণ

    শেয়ার করুন

পশ্চিমা সভ্যতার জন্য মুসলমানদের হুমকি হিসেবে তুলে ধরতে পরিচালিত হয়েছে সমন্বিত প্রচারণা। এতে পাঁচ কোটিরও বেশি নয়, বরং ৫০ কোটিরও বেশি বার অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হয়েছে। ব্যয় হয়েছে লাখ লাখ ডলার। ব্যবহার করা হয়েছে ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচয় এবং পরিকল্পিত প্রচারণা। তদন্তকারীরা এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে ইসরায়েলের দিকে ইঙ্গিত করে এমন ডিজিটাল চিহ্ন খুঁজে পেয়েছেন। তবে এই প্রচারণার অর্থায়নকারীদের পরিচয় এখনো রহস্যই রয়ে গেছে।
একটি বিস্তৃত তদন্তে কাতার, পশ্চিমা দেশগুলোর মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং অভিবাসীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত অন্যতম বৃহৎ গোপন ডিজিটাল প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। গবেষকেরা এটিকে বড় ধরনের একটি সমন্বিত অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এই প্রচারণায় ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, উগ্র ডানপন্থী ষড়যন্ত্রতত্ত্বের প্রচার করা হয়েছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জনমতকে কাতারের বিরুদ্ধে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের মধ্যস্থতায় দোহা যখন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছিল, তখনই এই প্রচারণা জোরদার করা হয়।

মার্ক ওয়েন জোন্স ও সোহান ডি’সুজা নামের দুই গবেষক এই তদন্ত পরিচালনা করেন। মহান প্রতিস্থাপন তত্ত্বের নির্মাণ শিরোনামে প্রকাশিত তাঁদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই এই প্রচারণায় শুধু মেটার বিজ্ঞাপনের পেছনে ১২ লাখ ডলারের বেশি ব্যয় করা হয়েছিল।

মেটার তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির উন্মোচিত গোপন প্রভাব বিস্তারকারী নেটওয়ার্কগুলোর মধ্যে এটি ছিল অন্যতম বৃহৎ।
পরবর্তী সময়ে এই প্রচারণা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের গণ্ডি ছাড়িয়ে ইউটিউব, টিকটক, টেলিগ্রাম এবং এক্সে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরের বাস্তব বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের স্থানেও এর প্রচারণা চালানো হয়।

এই তদন্তে শুধু প্রচারণাটির কর্মকাণ্ড নিয়েই নয়, বরং আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। কারা এই অপপ্রচারের অর্থ জুগিয়েছে? কেন মুসলমান ও কাতারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে? এত বড় একটি প্রচারণা কীভাবে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর চোখ এড়িয়ে দীর্ঘদিন চলতে পেরেছে?

পশ্চিমা বিশ্বকে কাতারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে সাজানো হয়েছিল কৃত্রিম জনমত
এই প্রচারণার কেন্দ্রীয় কৌশল ছিল ‘অ্যাস্ট্রোটার্ফিং’ নামে পরিচিত একটি পদ্ধতি। এতে রাজনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থে পরিচালিত সমন্বিত প্রচারণাকে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

প্রচারণার পেছনে কারা রয়েছে, তা প্রকাশ না করে পরিচালকেরা বিপুলসংখ্যক ভুয়া অ্যাকাউন্ট এবং বিভ্রান্তিকর নামে বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমের একটি জটিল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। এসবের মধ্যে ‘কনস্পিরেসি’ এবং ‘দোহা ডার্ট’ নামে পরিচালিত কিছু পেজ ছিল। এগুলো নিজেদের কাতারের কথিত অনিয়ম ও অপকর্ম প্রকাশকারী স্বাধীন কণ্ঠস্বর হিসেবে উপস্থাপন করত।

এর উদ্দেশ্য ছিল উপসাগরীয় দেশ কাতারের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনঅসন্তোষ তৈরি হয়েছে, এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে প্রচারণার সমন্বিত ও পরিকল্পিত চরিত্র আড়াল করার চেষ্টা করা হয়।

প্রাথমিকভাবে এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোতে কাতারের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক উপস্থিতিকে দুর্বল করা। এর প্রচারবার্তায় প্যারিস সাঁ-জারমাঁ ফুটবল ক্লাব, লন্ডনের হ্যারডস ডিপার্টমেন্ট স্টোর এবং কাতার এয়ারওয়েজের মতো সুপরিচিত কাতারি বিনিয়োগ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এই প্রচারণার সময় নির্বাচনও ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

গাজা যুদ্ধের সময় কাতার যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছিল, ঠিক তখনই পশ্চিমা জনগণের কাছে দেশটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছিল। কাতারবিরোধী বক্তব্য দিয়ে শুরু হওয়া এই প্রচারণা অল্প সময়ের মধ্যেই মুসলমান ও অভিবাসনবিরোধী মনোভাবকে কেন্দ্র করে আরও বিস্তৃত অভিযানে রূপ নেয়।

কাতারবিরোধী প্রচারণা যেভাবে ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানোর মঞ্চে পরিণত হলো
তদন্তের সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্যগুলোর একটি হলো, এই প্রচারণায় পরিকল্পিতভাবে উগ্র ডানপন্থীদের মধ্যে প্রচলিত ‘মহান প্রতিস্থাপন’ নামের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব গ্রহণ করা হয়েছিল। এই বর্ণবাদী তত্ত্বে অভিবাসনকে, বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের আগমনকে, ইউরোপের বর্তমান জনগোষ্ঠীকে প্রতিস্থাপন এবং মহাদেশটির সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিচয় পরিবর্তনের একটি সংগঠিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

এই প্রচারণায় কাতারকে ইউরোপের কথিত ইসলামায়নের নেপথ্যের গোপন অর্থদাতা ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে উপস্থাপন করে ওই বয়ানকে নতুনভাবে সাজানো হয়।
প্রচারণার বিভ্রান্তিকর দাবিতে বলা হয়, অভিবাসন সহজ করা এবং পুরো মহাদেশে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিস্তারে সহায়তার মাধ্যমে দোহা পরিকল্পিতভাবে ইউরোপের জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

গবেষকেরা নথিপত্রে দেখিয়েছেন, ভিডিও, প্রামাণ্যচিত্রের আদলে তৈরি অনুষ্ঠান এবং বেছে বেছে সম্পাদনা করা দৃশ্যের মাধ্যমে এসব অভিযোগ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
যেসব শহরে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলমান বসবাস করেন, সেগুলোকে বারবার প্রচারণার লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

এসব স্থানের মধ্যে ছিল সুইডেনের মালমো এবং যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড। এসব শহরের নির্বাচিত ছবি ও ভিডিওচিত্র ব্যবহার করে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কথিত জনসংখ্যাগত হুমকির প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়।

এই প্রচারণায় মুসলিম সংগঠনগুলোর সঙ্গেও কাতারের সম্পর্ক তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এসব সম্পর্ককে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ইসলাম এবং পশ্চিমা সমাজ সম্পর্কে তাদের বৃহত্তর অভিযোগগুলোকে আরও জোরালো করার চেষ্টা চলে।

তদন্তে এসব বর্ণনাকে সমন্বিত বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোকে প্রচারিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের সঙ্গে কাতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ যুক্ত করে প্রচারণার পরিচালকেরা এমন জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন, যারা আগে থেকেই উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতি আগ্রহী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে টাইমস স্কয়ার ও রিপাবলিকান সম্মেলন পর্যন্ত
এই প্রচারণা শুধু বেনামি ইন্টারনেট অ্যাকাউন্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল, বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমাবেশেও এই প্রচারণার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বড় বড় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম পরিচিত বাণিজ্যিক এলাকায় কাতারবিরোধী প্রচারণা পৌঁছে দেওয়া হয়।আরেকটি ঘটনায়, প্রচারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘শেম কাতার’ নামের একটি মাধ্যমের তৈরি ভিডিও ২০২৪ সালের রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে প্রদর্শন করা হয়। ওই সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প মঞ্চে ওঠার কিছুক্ষণ আগে ভিডিওটি দেখানো হয়েছিল। এই প্রচারণায় অপ্রচলিত প্রচারকৌশলও ব্যবহার করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, আটলান্টার একটি বিপণিবিতানের ভেতরে কাতারের নেতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাজানো প্রতিবাদ এবং পূর্বনির্ধারিত দৃশ্য অভিনয়ের জন্য সাবেক সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নিয়োগ করা হয়েছিল।

সুইডেনে ইউরোভিশন গানের প্রতিযোগিতার সঙ্গে মিল রেখে কাতারবিরোধী ব্যঙ্গাত্মক একটি গান তৈরি করা হয়। উগ্র ডানপন্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট গানটির প্রচার ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়। ফলে অভিবাসনবিরোধী ও মুসলমানবিরোধী রাজনৈতিক বিষয়বস্তুতে আগে থেকেই আগ্রহী জনগোষ্ঠীর কাছেও এই প্রচারণা পৌঁছে যায়।

এসব কর্মকাণ্ড থেকে বোঝা যায়, প্রচারণাটি প্রচলিত রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।
পরিকল্পিত বিক্ষোভ, বিনোদন, জনসমক্ষে বিজ্ঞাপন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রচারণাটি এমন একটি ধারণা তৈরি করতে চেয়েছিল যে, তাদের বক্তব্য সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এবং রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বাস্তবে এর পেছনে ছিল নির্দিষ্ট কিছু অ্যাকাউন্টের সমন্বিত নেটওয়ার্ক।

অর্থের সূত্র পৌঁছেছে ভিয়েতনাম, ব্রাজিল ও বেনামি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে
তদন্তের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এই প্রচারণার অর্থদাতা ও পরিচালকদের শনাক্ত করা। উন্মুক্ত তথ্যভিত্তিক গোয়েন্দা অনুসন্ধান পদ্ধতি ব্যবহার করে গবেষকেরা বিজ্ঞাপনের নথি, অ্যাকাউন্টের ইতিহাস, ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত এবং আপাতদৃষ্টিতে সম্পর্কহীন বিভিন্ন প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে যোগসূত্র খতিয়ে দেখেন। তাঁদের অনুসন্ধানে কয়েকটি দেশের বিজ্ঞাপন মধ্যস্থতাকারী ও বিভিন্ন অ্যাকাউন্টকে নিয়ে গড়ে ওঠা একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানের একটি সূত্র ভিয়েতনামভিত্তিক গণমাধ্যম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এলটি মিডিয়ার দিকে নিয়ে যায়। তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্বীকার করেছেন যে, তিনি একটি বেনামি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের অনুরোধ ও অর্থ গ্রহণ করেছিলেন। এই স্বীকারোক্তি থেকে বোঝা যায়, বিজ্ঞাপনের জন্য যারা অর্থ দিচ্ছিল, তাদের পরিচয় কীভাবে গোপন রাখা হয়েছিল।

প্রকাশ্যে পরিচিত কোনো রাজনৈতিক সংগঠন বা অর্থদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না করে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অজ্ঞাতপরিচয় গ্রাহকদের কাছ থেকে বিজ্ঞাপনের কাজ নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তদন্তে কাতারবিরোধী প্রচারণার সঙ্গে লেবাননকে লক্ষ্য করে পরিচালিত আরেকটি সমান্তরাল প্রভাব বিস্তারকারী অভিযানের প্রযুক্তিগত যোগসূত্রও পাওয়া যায়। লেবাননকে লক্ষ্য করে পরিচালিত ওই প্রচারণায় ‘লেবানন যুদ্ধ চায় না’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছিল। পাশাপাশি এমন রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করা হয়, যেখানে ইসরায়েলকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরে যুদ্ধের আশঙ্কার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছিল।

গবেষকেরা দুটি প্রচারণার মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য ও পারস্পরিক সংযোগ শনাক্ত করেছেন। তাঁদের মতে, এসব তথ্য ইঙ্গিত করে যে, সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত অবকাঠামো শুধু কাতারবিরোধী প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত হয়নি। মেটার একটি প্রতিবেদনেও এসব তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে ১২ লাখ ডলারের বেশি বিজ্ঞাপন ব্যয়ের তথ্য এবং লেবানন ও ইউরোপকে লক্ষ্য করে পরিচালিত প্রচারণাগুলোর মধ্যে যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র: তদন্তকারীরা আসলে কী পেয়েছেন
তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলোর মধ্যে ছিল এই প্রচারণার কিছু অংশের সঙ্গে ইসরায়েলের যোগসূত্র নির্দেশকারী প্রযুক্তিগত তথ্য। তদন্তকারীরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য দুটি ডিজিটাল প্রমাণ শনাক্ত করেছেন। প্রথম সূত্রটি পাওয়া যায় ‘ট্রনফ্যাক্টর’ নামে পরিচালিত একগুচ্ছ ভুয়া উইকিপিডিয়া অ্যাকাউন্টের নেটওয়ার্ক থেকে। তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, একটি প্রযুক্তিগত ভুলের কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নির্দিষ্ট ইন্টারনেট প্রোটোকল ঠিকানা প্রকাশ হয়ে পড়ে।

এই আবিষ্কার থেকে ওই নেটওয়ার্কের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভৌগোলিক অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। দ্বিতীয় সূত্রটি পাওয়া যায় টেলিগ্রামের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া ভিডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা থেকে।

গবেষকেরা ভিডিও ফাইলের ভেতরে থাকা তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এমন কিছু উৎপাদন ও সম্পাদনার ধরন শনাক্ত করেন, যা ইসরায়েলের কর্মসপ্তাহের সঙ্গে মিলে যায়। দেশটিতে কর্মসপ্তাহ চলে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

ভিডিওগুলোর কাজের সময়ও ইসরায়েলের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। এ ছাড়া কিছু ফাইলে হিব্রু ভাষায় লেখা বিভিন্ন চিহ্ন ও নির্দেশনা পাওয়া গেছে। সব তথ্য একত্রে বিবেচনা করে গবেষকেরা মনে করছেন, এই প্রচারণার কিছু অংশ তৈরি বা সমন্বয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ইসরায়েল থেকে কাজ করে থাকতে পারেন। তবে তদন্তকারীরা এই অভিযানের চূড়ান্ত অর্থদাতার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি।

এখানে একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র নির্দেশকারী প্রযুক্তিগত প্রমাণ থাকলেই যে দেশটির কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই প্রচারণার নির্দেশ দিয়েছে, অর্থায়ন করেছে কিংবা অনুমোদন করেছে, তা প্রমাণিত হয় না। ভৌগোলিক অবস্থানের এসব সূত্র পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত কারা বা কোন প্রতিষ্ঠান এই প্রচারণার অর্থ জুগিয়েছে, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক
তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখা হয়েছে। এ অনুসন্ধানে উঠে আসা নামগুলোর মধ্যে একজন হলেন জনি মুর। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারক উপদেষ্টা। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, মুরের জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানটি এই প্রভাব বিস্তারকারী প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রচারণাটির সাংগঠনিক কাঠামো ও রাজনৈতিক সংযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এটি ছিল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।

তবে তদন্তে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, মুর ব্যক্তিগতভাবে এই অভিযানের অর্থায়ন করেছিলেন। গুগলের বিজ্ঞাপনের নথি আরও খতিয়ে দেখতে গিয়ে গবেষকেরা আরেকটি অস্পষ্ট পরিচয়ের সন্ধান পান। সেখানে বেলজিয়ামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লিলিয়ান কাউফম্যান নামে এক ব্যক্তির তথ্য পাওয়া যায়।

গবেষকেরা ব্রাজিলের সাও পাওলো শহর পর্যন্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের কার্যক্রমের সূত্র খুঁজে পান। সেখানে তাঁরা আগেনসিয়া মল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পান। তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, ব্রাজিলের এই বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্মীরা তাঁদের বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সুযোগ একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে ওই অ্যাকাউন্টগুলো কাতারবিরোধী প্রচারণা এবং লেবাননকে লক্ষ্য করে পরিচালিত সমান্তরাল প্রচারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট সংগ্রহ করে সেগুলো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কাজে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এতে চূড়ান্ত গ্রাহকের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে না।

এই আন্তর্জাতিক কাঠামোর কারণে প্রচারণাটি তদন্ত করাও আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এক দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্য দেশে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী ও বেনামি যোগাযোগমাধ্যমের আড়ালে থেকে গেছে প্রচারণা পরিচালনাকারীদের পরিচয়।

প্রচারণার পরবর্তী পর্যায়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয় ইউরোপের জনগণকে
২০২৫ সালের মধ্যে এই অভিযান ইউটিউবে তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করে। বিশেষভাবে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সের দর্শকদের লক্ষ্য করে প্রচারণা চালানো হয়। ‘কাতারের পেছনের কাহিনি’ এবং ‘কাতারের মহাচুরি’ নামের বিভিন্ন চ্যানেল থেকে উপসাগরীয় দেশটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরে কয়েক ডজন ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওগুলোতে লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে। এসব ভিডিওর বিষয়বস্তুতে ক্রমশ অভিবাসন এবং ইউরোপীয় সমাজের কথিত পরিবর্তনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে থাকে।
বর্ণবাদী বক্তব্যের মাধ্যমে অভিবাসীদের উপস্থাপন করা হয়। এমনকি অভিবাসনকে ‘নীরব আগ্রাসন’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

গবেষকেরা দেখতে পান, প্রচারণায় বারবার এসব বিষয়কে কাতারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটিকে ইউরোপের জনসংখ্যাগত ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের নেপথ্যের গোপন শক্তি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।

এই প্রচারণার সময় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সংসদীয় নির্বাচনের সঙ্গেও মিলে যায়। ফলে বিজ্ঞাপন প্রচারের পেছনে সম্ভাব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তদন্তে যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ শহর বার্মিংহামের স্থানীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টার তথ্যও পাওয়া গেছে।

এসব কর্মকাণ্ড থেকে বোঝা যায়, প্রচারণাটির উদ্দেশ্য শুধু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাতারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ককেও প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি গান, ভুয়া ভিডিও এবং শনাক্তকরণ এড়ানোর চেষ্টা
প্রচারণাটি যত বিস্তৃত হয়েছে, এর আয়োজকেরা ততই উন্নত ডিজিটাল কৌশল গ্রহণ করেছেন। গান তৈরির জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন সংগীতশিল্পী মারিয়া ক্যারির গানের আদলে তৈরি একটি ব্যঙ্গাত্মক গানও ছিল।

এ ছাড়া কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিকে নিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরি করা হয়। আমিরের মা শেখা মোজা এবং ওয়েলসের রাজকুমারী ক্যাথরিন, যিনি কেট মিডলটন নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত, তাঁদেরও এই প্রচারণার লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

এসব উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিত ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং বিনোদনধর্মী বিষয়বস্তুকে কাজে লাগিয়ে এমন দর্শকদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, যারা সাধারণত ভূরাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আগ্রহী নন। গবেষকেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপত্তিকর বিষয়বস্তু শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টার কথাও নথিভুক্ত করেছেন। এসব কৌশলের মধ্যে ছিল অনলাইনে কাতারের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন করে লেখা।

উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ও পর্যবেক্ষণব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে নেটওয়ার্কটি ‘কিউটিএআর’-এর পরিবর্তে ‘কিউএক্সটিএআর’-এর মতো বানান ব্যবহার করেছিল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরদারি ও যাচাই-বাছাই সত্ত্বেও প্রচারণামূলক বিষয়বস্তু অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এসব পরিবর্তন বৃহত্তর কৌশলের অংশ ছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভুয়া গণমাধ্যম, বিভ্রান্তিকর পরিচয় এবং বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্টের অপব্যবহারের সমন্বয় দেখিয়েছে, কীভাবে প্রচারণাটি বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের কৌশলও পরিবর্তন করেছে।

৫০ কোটিরও বেশি বার অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, কিন্তু অর্থ দিয়েছে কারা?
২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই প্রচারণার কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখতে পান, এতে ৫০ কোটিরও বেশি বার অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হয়েছে।
এখানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সংখ্যা বলতে বিজ্ঞাপনগুলো মোট কতবার মানুষের সামনে এসেছে, তা বোঝানো হয়েছে। এর অর্থ এই নয় যে, ৫০ কোটিরও বেশি স্বতন্ত্র ব্যক্তি বিজ্ঞাপনগুলো দেখেছেন।

তবুও বিজ্ঞাপন প্রচারের এই বিশাল পরিসর প্রমাণ করে, পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত কোনো প্রভাব বিস্তারকারী অভিযান কত ব্যাপকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে। এই প্রচারণা একাধিক দেশে পরিচালিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন মধ্যস্থতাকারীকে ব্যবহার করা হয়েছে এবং ডিজিটাল ও বাস্তব উভয় মাধ্যমেই প্রচারবার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মূল প্রশ্নটির উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রযুক্তিগত যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া, ভিয়েতনাম ও ব্রাজিলে বিজ্ঞাপনসংক্রান্ত সংযোগ শনাক্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সন্ধান পাওয়ার পরও তদন্তকারীরা এই অভিযানের চূড়ান্ত অর্থদাতাকে শনাক্ত করতে পারেননি। তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞাপন ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত সুবিধাভোগীর পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় অর্থদাতাকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এই অনুসন্ধানের ফলাফল রাজনৈতিক বয়ান তৈরিতে গোপন অর্থায়নের ভূমিকা, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন দেশের জনমত প্রভাবিত করার বিষয়ে আরও বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ঘৃণা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া পরিকল্পিত অর্থায়ননির্ভর প্রচারণা শনাক্ত ও প্রতিরোধে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার দুর্বলতাও প্রকাশ পেয়েছে।

এই অভিযানের অর্থদাতারা হয়তো এখনো আড়ালে রয়েছেন। তবে তদন্তে উঠে আসা পদ্ধতিগুলো দেখিয়েছে, কীভাবে বেনামি অর্থায়ন, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনব্যবস্থা এবং সমন্বিত অপপ্রচারের মাধ্যমে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ তৈরি করা যায় এবং সেই বিদ্বেষকে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত জনমত হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।


তদন্ত প্রতিবেদনটি পড়তে: Manufacturing the Great Replacement.

কৃতজ্ঞতায়: Sunnah Files
তারিখ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬

 

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইসলামবিদ্বেষী অপপ্রচারের নেপথ্যে কারা? তদন্তে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসূত্র এবং ৫০ কোটি প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের তথ্য

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ভুলবশত ফেরত পাওয়া টাকা নিজের কাছে রাখা কি হালাল?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজায় শিশুদের সহায়তায় ১ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করলেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের বাংলাদেশি তারকা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইউরোপ সংকটে, আর সেই সংকটের দায় চাপানো হচ্ছে মুসলিমদের ওপর

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কিয়ামতের দিন নিঃস্ব মুসলিম: যখন কেড়ে নেওয়া হবে নেক আমল

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আসামে উচ্ছেদ ১,১০০টিরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১০টি মসজিদ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

ঠিকানা: বি এ এস বি কমপ্লেক্স, ক্বারীপাড়া, আখালিয়া, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।

+8801932-188582

globalaffairsbrand@gmail.com, info@theglobalaffairs.info