মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে নিকাব ও বোরকা আবারও রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। প্রকাশ্য স্থান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুখ ঢেকে রাখার পোশাকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের লক্ষ্যে একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সর্বশেষ পদক্ষেপটি এসেছে স্পেন থেকে। দেশটির পূর্বাঞ্চলের লেইদা নগর পরিষদ শুক্রবার নাগরিক আচরণ ও সহাবস্থানবিষয়ক বিধিমালায় একটি সংশোধনী অনুমোদন করেছে। এর মাধ্যমে প্রকাশ্য স্থানে মুখ সম্পূর্ণভাবে ঢেকে রাখে এমন পোশাক বা সামগ্রী পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় নিকাব ও বোরকাও রয়েছে। এ ধরনের বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে ৪০০ থেকে ৭৫০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
তবে উপাসনাস্থলে এবং মৌলিক অধিকার প্রয়োগ কিংবা সমাজে স্বীকৃত কিছু রীতিনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
শহরটি পরিচালনাকারী সমাজতান্ত্রিক দলের পাশাপাশি জুনৎস পার কাতালুনিয়া ও ভক্সের সমর্থনে বিধিমালাটি অনুমোদিত হয়। পিপলস পার্টি ও অন্যান্য কয়েকটি দল এর বিপক্ষে ভোট দেয়। ফ্রান্স, পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের মতো প্রতিবেশী ইউরোপীয় দেশগুলোর বিপরীতে স্পেনে দেশজুড়ে নিকাব ও বোরকা নিষিদ্ধ বা সীমিত করার কোনো জাতীয় আইন নেই।
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধারাবাহিক পদক্ষেপ
স্পেনের এই সিদ্ধান্তের আগে জুলাই মাসে পর্তুগালের সংসদ প্রকাশ্য স্থানে মুখ ঢেকে রাখার পোশাক নিষিদ্ধ করে একটি আইন পাস করে। আগস্টে দেশটির রাষ্ট্রপতি আইনটিতে অনুমোদন দেন। এতে ১৫০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
তবে স্বাস্থ্যগত, পেশাগত, শৈল্পিক ও আবহাওয়াজনিত কারণ এবং উপাসনাস্থলের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। পর্তুগালের সরকারি আইনটি ২৪ আগস্ট প্রকাশিত হয় এবং সেপ্টেম্বর মাসে তা কার্যকর হয়।
ইতালিতে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোরকা ও নিকাব পরা নিষিদ্ধ করবে। দেশটির মন্ত্রিসভা ২৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি আদেশ অনুমোদন করেছে।
ইতালির সরকার এই পদক্ষেপকে শিক্ষাব্যবস্থায় একীভূতকরণ জোরদারের বৃহত্তর নীতির অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এর পাশাপাশি ইতালীয় ভাষা শেখা এবং বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের গঠনসংক্রান্ত আরও কিছু পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।
কী ধরনের যুক্তি দেওয়া হচ্ছে?
দেশভেদে এসব বিধিনিষেধের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। তবে সাধারণভাবে যুক্তিগুলো তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। এগুলো হলো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার সক্ষমতা, সমাজের মধ্যে একীভূত হওয়া ও পারস্পরিক যোগাযোগ এবং নারীদের জোরজবরদস্তি বা বৈষম্য থেকে সুরক্ষা দেওয়া।
ইতালিতে মেলোনি তাঁর সরকারের সিদ্ধান্তকে বিদ্যালয়ে একীভূতকরণ নীতির অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষাব্যবস্থায় বিচ্ছিন্ন পরিবেশ তৈরি হওয়া ঠেকানো এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
লেইদায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিধিমালাটিকে নাগরিক আচরণ ও নারীর অধিকার রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে সমালোচকদের দাবি, এর ফলে ধর্মীয় স্বাধীনতা সীমিত হচ্ছে। লেইদার ওয়াতানি অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিসের মৌরাদ আল-বুদাউই বলেন, নিকাব পরা নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে তাঁদের সঙ্গে সংলাপ করা, শিক্ষা দেওয়া এবং কর্মবাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে সহায়তা করা উচিত।
অধিকার সংগঠনগুলোর সতর্কতা, আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারেন নারীরা
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে। তাদের বক্তব্য, নিকাবের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করলে যেসব নারী নিজেদের ইচ্ছায় মুখ ঢেকে রাখেন, তাঁরা সমাজ থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারেন।
পর্তুগালের সংসদ আইনটি অনুমোদন করার পর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দেশটির সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞাকে মানবাধিকারের জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এই আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর প্রভাব ফেলছে এবং এর ফলে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও নারীরা আরও বেশি সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।
ইউরোপ কাউন্সিলের মানবাধিকারবিষয়ক সাবেক কমিশনারও একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন। তাঁর মতে, নিকাবের ওপর সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নারীদের “মুক্ত” করার পরিবর্তে তাঁদের আরও বেশি বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে। তিনি ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদের অধীনে সুরক্ষিত ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়গুলোও তুলে ধরেছেন।
জাতিসংঘও এ বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছে। ফ্রান্সসংক্রান্ত কয়েকটি মামলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি সিদ্ধান্তে বলেছে, পুরো মুখ ঢেকে রাখার ওপর সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা মুসলিম নারীদের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে এবং এর মাধ্যমে লিঙ্গ ও ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা হয়েছে।
স্পেনের বাস্ক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পাবলো সালদিবিয়া লুয়েঙ্গোও স্পেনে নিকাব নিয়ে একটি বিশেষায়িত আইনি গবেষণায় একই ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাঁর মতে, মানবাধিকার ও আনুপাতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো মুখ ঢেকে রাখার ওপর বিধিনিষেধকে ন্যায্যতা দেওয়া যায় না, যদি না তা জননিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বা পরিচয় যাচাইয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হয়।
একই সময়ে এসব পদক্ষেপ কেন দেখা যাচ্ছে?
এই তিন দেশ কোনো সমন্বিত ইউরোপীয় সিদ্ধান্তের অধীনে কিংবা নিকাব নিষিদ্ধ বা সীমিত করার কোনো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতে একসঙ্গে পদক্ষেপ নিচ্ছে, এমন কোনো প্রমাণ বর্তমানে পাওয়া যায় না। তবে যে বিষয়টি পরিবর্তিত হয়েছে, তা হলো এই ইস্যু নিয়ে বিতর্কের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবেশ।
ইউরোপে অভিবাসন, সমাজে একীভূতকরণ এবং জাতীয় পরিচয় নিয়ে চলমান বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে নিকাব। যদিও ইউরোপের অধিকাংশ দেশে নিকাব পরা নারীর সংখ্যা এখনো সীমিত, তবু জনজীবনে ধর্মের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে এই পোশাকটি যথেষ্ট প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে।
ইউরোপজুড়ে ডান ও বামপন্থীদের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণের সময়েই এসব পদক্ষেপ সামনে আসছে। একই সময়ে ডানপন্থী ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রভাবও বাড়ছে। এসব রাজনৈতিক শক্তি অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় ও সমাজে একীভূতকরণকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে তুলে ধরছে।
এই প্রেক্ষাপটে নিকাব, হিজাব এবং অন্যান্য ইসলামি প্রতীক নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া বিতর্ককে বর্তমান নির্বাচনী ও রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে আলাদা করে দেখা কঠিন। ডানপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলো তাদের সমর্থকদের সক্রিয় করা এবং নিজেদের ভোটারদের কাছে আবেদন তৈরির ক্ষেত্রে এসব বিষয় ক্রমেই ব্যবহার করছে।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বাড়ছে
ইউরোপে মুসলিমদের অভিজ্ঞতার মধ্যে নথিভুক্ত বৈষম্য বৃদ্ধির সময়েই এই বিতর্ক চলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মৌলিক অধিকার সংস্থার তথ্যমতে, ইউরোপের ১৩টি দেশে পরিচালিত এক জরিপে অংশ নেওয়া মুসলিমদের ৪৭ শতাংশ বলেছেন, জরিপের আগের পাঁচ বছরে তাঁরা বর্ণগত বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আগের জরিপে এই হার ছিল ৩৯ শতাংশ।
সংস্থাটি আরও দেখতে পেয়েছে, ধর্মীয় পোশাক পরা মুসলিম নারীরা বিশেষভাবে বৈষম্য ও হয়রানির ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রকাশ্যে ধর্মীয় পোশাক পরা মুসলিম নারীদের মধ্যে ২৭ শতাংশ হয়রানির শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে ধর্মীয় পোশাক না পরা মুসলিম নারীদের মধ্যে এই হার ছিল ১৬ শতাংশ।
রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যেও মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টির প্রতি সংস্থাটি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
অধিকারকর্মীদের উদ্বেগ তাই শুধু পৃথক আইনগুলোর ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁদের সতর্কতা হলো, ইসলামি ধর্মীয় প্রতীকগুলো এমন একটি মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে, যার মাধ্যমে মুসলিমদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা বা ইউরোপীয় সমাজে তাঁদের বহিরাগত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে সমাজে একীভূত হওয়ার পরিবর্তে বর্জন আরও গভীর হতে পারে।
ইউরোপে এসব বিধিনিষেধ নতুন নয়
স্পেন, ইতালি ও পর্তুগালের সর্বশেষ পদক্ষেপ ইউরোপে মুখ ঢেকে রাখার পোশাকের ওপর বিধিনিষেধের সূচনা নয়। ২০১০ সালে ফ্রান্স প্রকাশ্য স্থানে মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করে ইউরোপের প্রথম দেশ হয়। আইনটি ২০১১ সালে কার্যকর হয়। এরপর বেলজিয়ামও একই ধরনের আইন গ্রহণ করে। পরবর্তীতে বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক ও অস্ট্রিয়ায় আরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, নরওয়ে ও জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ বিদ্যালয়, হাসপাতাল, গণপরিবহন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো নির্দিষ্ট স্থানে আংশিক বিধিনিষেধ চালু করে।
সুইজারল্যান্ডে ২০২১ সালের গণভোটে দেশজুড়ে মুখ ঢেকে রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ভোট পড়ে। এই বিধিনিষেধ ২০২৫ সালে কার্যকর হয়। ফলে নিকাব নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক পুরো মুখ ঢেকে রাখার পোশাকের গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বড় একটি প্রশ্ন সামনে আনছে। ইউরোপে ইসলামি পোশাকের ওপর ক্রমবর্ধমান বিধিনিষেধ কি শেষ পর্যন্ত হিজাবকেও আরও বড় রাজনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে ফেলতে পারে?
তারিখ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnahFiles Web
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ
দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া
ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত
হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক
২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা
সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন
প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ