বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আমাদের কাছে কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়। এতে সংরক্ষিত থাকে আমাদের ব্যক্তিগত কথোপকথন, ছবি, আর্থিক তথ্য, অবস্থানের ইতিহাস, কর্মক্ষেত্রের নথিপত্র এবং ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা। এই প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে তুললেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গ্রিডওয়্যারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ কাংজির সঙ্গে সাম্প্রতিক এক আলোচনায় ডিজিটাল নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, অত্যাধুনিক নজরদারি সফটওয়্যার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারসংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো উঠে এসেছে।
এই আলোচনার মূল বার্তা স্পষ্ট: আধুনিক জীবনে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা এখন অত্যন্ত জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের মূল্য কতটা?
প্রতিদিন মানুষ বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল তথ্য তৈরি করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কর্মকাণ্ড, ইন্টারনেটে অনুসন্ধান, মুঠোফোনের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, অবস্থান নির্ণয়কারী সেবা এবং বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমগুলো একত্রে একজন মানুষের জীবনযাপনের বিস্তারিত চিত্র তৈরি করতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতারা নিজেদের বিপণন কার্যক্রম ব্যক্তির পছন্দ অনুযায়ী সাজাতে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সেবা উন্নত করতে এবং অপরাধীরা প্রতারণার সুযোগ খুঁজতে এসব তথ্যকে মূল্যবান মনে করে।
ব্যক্তিগত তথ্য থেকে এমন অনেক কিছু জানা সম্ভব, যা মানুষ সাধারণত কল্পনাও করে না। অবস্থানের ইতিহাস বিশ্লেষণ করে কেউ কোথায় বসবাস করেন, কোথায় কাজ করেন কিংবা নিয়মিত কোথায় যাতায়াত করেন, তা অনুমান করা যেতে পারে। ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে মানুষের সম্পর্ক, আর্থিক সংকট ও গোপন উদ্বেগের বিষয়গুলো প্রকাশ পেতে পারে। আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হওয়া বিভিন্ন তথ্য একত্র করলে একজন ব্যক্তির বিস্তারিত পরিচিতি ও জীবনযাপনের ধরন সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা সম্ভব।
সাইবার অপরাধীরা এসব তথ্য ব্যবহার করে পরিচয় চুরি, আর্থিক প্রতারণা, বিভিন্ন হিসাবের নিয়ন্ত্রণ দখল এবং ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধ বাজারে সংগ্রহ ও বিক্রিও হতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন অপরাধী চক্র এমন তথ্য ব্যবহার করার সুযোগ পায়, যেগুলো তারা নিজেরা সরাসরি চুরি করেনি।
এই ঝুঁকি শুধু ধনী ব্যক্তি কিংবা পরিচিত জনপরিচিতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হলেও তাঁদের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
আপনার অজান্তেই কি কেউ মুঠোফোনে নজরদারি করতে পারে?
সাক্ষাৎকারে আলোচিত সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়গুলোর একটি ছিল পেগাসাসের মতো অত্যাধুনিক মুঠোফোন নজরদারি সফটওয়্যার। এ ধরনের উন্নত সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোনো আক্রমণকারী আক্রান্ত যন্ত্রের বার্তা, ছবি, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য সংবেদনশীল উপাত্তে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। সফটওয়্যারের ধরন ও প্রাপ্ত প্রবেশাধিকারের ওপর নির্ভর করে, সংক্রমণের স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই আক্রমণকারী যন্ত্রটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
তবে বার্তা আদান-প্রদানের সময় তথ্য সংকেতায়নের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকলেও যন্ত্রটি নিজেই আক্রান্ত হলে সব তথ্য নিরাপদ থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। সংকেতায়ন বার্তা আদান-প্রদানের পথে তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে। কিন্তু আক্রান্ত মুঠোফোনে সক্রিয় নজরদারি সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর পড়ার উপযোগী করে সংকেতমুক্ত হওয়ার পর তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
তবে অত্যাধুনিক লক্ষ্যভিত্তিক নজরদারি এবং সাধারণ সাইবার অপরাধের মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। এ ধরনের নজরদারি সফটওয়্যার সাধারণত সাংবাদিক, অধিকারকর্মী, রাজনীতিবিদ এবং বিশেষভাবে নজরদারির লক্ষ্যবস্তু হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি স্মার্টফোনে গোপনে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রচলিত ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতারণামূলক বার্তা, ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন, চুরি হওয়া গোপন সংকেত, ভুয়া ওয়েবসাইট এবং হিসাবের অনিরাপদ নিরাপত্তাব্যবস্থা।
সরকারি সংস্থার তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে বিতর্ক
সাক্ষাৎকারে মুঠোফোনে সংরক্ষিত তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকারের বিষয়টিও উঠে এসেছে। স্মার্টফোনে অপরাধ তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রমাণ থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কথোপকথন, ছবি, দিনপঞ্জি এবং অবস্থানের নথি। ডিজিটাল ফরেনসিক পদ্ধতির সাহায্যে কখনো কখনো মুছে ফেলা তথ্যও উদ্ধার করা সম্ভব। তবে তা নির্ভর করে যন্ত্রটির ধরন, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বা পরে মুছে ফেলা কিংবা প্রতিস্থাপিত হয়েছিল, তার ওপর।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষমতা জননিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। তদন্তকারীদের কোনো যন্ত্র পরীক্ষা করার বৈধ কারণ থাকতে পারে। তবে তাঁদের ক্ষমতার পরিধি, তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইনি সুরক্ষা এবং স্বাধীন তদারকির ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সাক্ষাৎকারে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যে পুলিশের ক্ষমতাসংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এসব দাবি একটি নির্দিষ্ট আইনি এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সেগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। আইন নিয়ে উদ্বিগ্ন ব্যক্তিদের নিজেদের অবস্থানের জন্য প্রাসঙ্গিক হালনাগাদ আইন ও নির্ভরযোগ্য আইনি পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত।
তবে বৃহত্তর নীতিটি সর্বত্রই প্রাসঙ্গিক। প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সঙ্গে এমন সুস্পষ্ট নিয়ম থাকা প্রয়োজন, যার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে কখন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা যাবে, কীভাবে তা ব্যবহার করা যাবে এবং কীভাবে ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
তথ্যের দালাল ও নজরদারির বাণিজ্য
আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হলো ব্যক্তিগত তথ্যের ক্রমবর্ধমান বাজার। তথ্য ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ, একত্র ও বিতরণ করে। সংশ্লিষ্ট সেবা এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে এসব তথ্যের মধ্যে অবস্থানসংক্রান্ত উপাত্ত, ভোক্তার আগ্রহ, জনমিতিক বিবরণ এবং অনলাইনে কর্মকাণ্ডের ধরন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিছু অ্যাপ্লিকেশন বিজ্ঞাপন বা তথ্য বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেগুলো তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে। বিভিন্ন উৎসের তথ্য একত্র করে ব্যক্তি ও জনগোষ্ঠীর বিস্তারিত পরিচিতি তৈরি করাও সম্ভব।
সাক্ষাৎকারে তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান প্যালান্টিরের বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মধ্যে সরকারি সংস্থা, প্রতিরক্ষা খাত এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য তথ্য বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক থেকে বৃহত্তর কিছু উদ্বেগ সামনে এসেছে। যেমন, বিপুল পরিমাণ তথ্য কীভাবে একত্র করা হয়, সেগুলো কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য কী ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রশ্নটি শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য আছে কি না, তা নয়। বরং সেই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, কারা তা দেখতে পারছে এবং তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণের ওপর ব্যক্তিদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার মুঠোফোন কি আপনার কথা শুনছে?
অনেকেই এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, যখন কোনো পণ্য নিয়ে কথোপকথনের পরপরই তাঁরা সেই পণ্যের মতো কিছু বিষয় নিয়ে বিজ্ঞাপন দেখতে পান। এতে তাঁদের মনে হতে পারে, মুঠোফোন সব সময় তাঁদের ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড করছে। মুঠোফোনের শব্দ ধারণের যন্ত্রে প্রবেশাধিকারের বিষয়টি সত্যিই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখেই প্রমাণ করা যায় না যে মুঠোফোন গোপনে কথোপকথন শুনছে।
বিজ্ঞাপন প্রদর্শনকারী ব্যবস্থা ইন্টারনেট ব্যবহারের ইতিহাস, অনুসন্ধান, অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য, অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহারকারীর কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য সংকেত বিশ্লেষণ করে একজন ব্যক্তি কী বিষয়ে আগ্রহী হতে পারেন, তা অনুমান করতে পারে।
তবু যেসব অ্যাপ্লিকেশন মুঠোফোনের শব্দ ধারণের যন্ত্র ব্যবহারের অনুমতি চায়, সেগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কোন অ্যাপ্লিকেশন শব্দ ধারণের যন্ত্র, আলোকচিত্র ধারণের যন্ত্র, পরিচিতির তালিকা এবং অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করতে পারে, তা ব্যবহারকারীদের জানা উচিত। একই সঙ্গে এসব অনুমতি সংশ্লিষ্ট সেবা দেওয়ার জন্য সত্যিই প্রয়োজন কি না, সেটিও যাচাই করা দরকার।
সফটওয়্যারের নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। অপরিচিত উৎস থেকে নামানো অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিরাপত্তার ত্রুটি সংশোধন করা হয়নি এমন পুরোনো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
প্রতিটি মুঠোফোন আক্রান্ত হয়েছে, এমন ধারণা করার পরিবর্তে মানুষের উচিত যাচাইযোগ্য নিরাপত্তাবিধি অনুসরণ করা এবং কোনো নির্দিষ্ট সতর্কসংকেত দেখা দিলে তা অনুসন্ধান করা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত কথোপকথনভিত্তিক ব্যবস্থার বিস্তার ডিজিটাল গোপনীয়তার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মানুষ ক্রমেই কাজ, সম্পর্ক, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত উদ্বেগ, আর্থিক প্রশ্ন এবং ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। এসব কথোপকথনে ব্যক্তিগত তথ্য থাকতে পারে।
তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnaFiles Web
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়