সর্বশেষ
  কিয়ামতের দিন নিঃস্ব মুসলিম: যখন কেড়ে নেওয়া হবে নেক আমল   আসামে উচ্ছেদ ১,১০০টিরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১০টি মসজিদ   কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া   সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান   গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?   আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের   ৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?   সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত   মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো   আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?   ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?   কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা   মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ   পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের   ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ   গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের   নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার   মিডিয়ায় ইসলামের ওপর আক্রমণ: মুসলিম উম্মাহর করণীয়   ভেনিসে মুসল্লিদের জুমার নামাজে উসকানি, বন্ধ মসজিদেও হামলার অভিযোগ   দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ দূর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো ৯টি দোয়া   ইসলামে তাওবা কবুলের ৫টি মৌলিক শর্ত   হিজাব পরলেই জরিমানা: ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের নতুন পরিকল্পনার ছক   ২৫ বছরের প্রতারণা: 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ' দিয়ে যেভাবে মুসলিমদের কলঙ্কিত করেছে পশ্চিমারা   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে কুরআন বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন   প্রাণীদের প্রতি আচরণে মহানবী ﷺ-এর আদর্শ   পশ্চিমা বিশ্বে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ইসলামবিদ্বেষকে ব্যবহার করছে ইসরায়েল    লন্ডনে তালিমুল কুরআন ইউকে মসজিদের ১৩তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত   গাজায় মৃতদের দাফনের জন্যও ফুরিয়ে আসছে জায়গা   কেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব?   মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের সময় কী কী নিদর্শন প্রকাশ পেয়েছিল?   যেসব বৈশিষ্ট্য ইসলামকে অনন্য করে তুলেছে   রাসুল ﷺ ও তাঁর পরিবার মাসের পর মাস 'যে দুই কালো খাবারে' জীবনধারণ করেছিলেন   মেলবোর্নে মসজিদের কাছে মুসলিম বাবার ওপর হামলা, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ   ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক   স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা   যা আল্লাহর হাতে, তা আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দিন   কিয়ামতের অন্যতম বড় আলামত: দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ও তার ফিতনা থেকে মুক্তির পথ   গাজা যুদ্ধ বন্ধে একের পর এক উদ্যোগ, কিন্তু কেন বারবার ব্যর্থ হলো আলোচনা?   ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশ গাজা শান্তি পরিষদ চুক্তির শর্তাবলি   মুসলিম তরুণদের জন্য সূরা আল-কাহফের ৫টি অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষা   যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ দিনেই একটি মসজিদে হামলা: বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ, শঙ্কায় মুসলিম সমাজ   লন্ডনে AMTC-এর উদ্যোগে উদ্যোক্তা ও ফাউন্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত   উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন   ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো    যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার   গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬   গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের   বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী   যুক্তরাজ্যে ইমামের বাড়িতে পেট্রোলবোমা হামলা, মসজিদের বাইরে উদ্ধার সন্দেহজনক বস্তু   পশ্চিমা দেশ ছেড়ে হিজরাহ: সন্তান প্রতিপালনে কেন দুবাই-সৌদির চেয়ে মিশর এগিয়ে?   মাওলানা পীর মুজাফফর আহমদ: রোহিঙ্গা মুসলিমদের এক আধ্যাত্মিক অভিভাবক   বিশিষ্ট আলেম ও গহরপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল   ফুটবল বিশ্বকাপে মাতোয়ারা বিশ্ব, গাজায় চলছে টিকে থাকার চরম লড়াই   গাজায় ফের বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী   পরিবর্তনশীল বিশ্বে মুসলিম অভিবাসনের ৫টি আপাত-বিপরীত বাস্তবতা   গাজা ইস্যুতে বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি উন্মোচন, বেন গভিরের বক্তব্যেই ইসরায়েলের বয়ান ধূলিসাৎ   প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্মার্ট হজ: অ্যালগরিদমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম জনমসাগম   আলেম ও বাবাদের শারীরিক সুস্থতায় হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের মর্নিং ওয়াক   সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান   "সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা   বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ   দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির   হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত    গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন   আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?   ‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত   গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ   ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের   গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি   আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?   গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন   গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন করেছে   নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই   গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে   ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি   ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা   সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান   হালাল অ্যাওয়ারনেস নেটওয়ার্কের নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত   যুক্তরাজ্যে বাড়ছে তরুণ মেধাবীদের দেশত্যাগের প্রবণতা   লন্ডনে তা'লিমুল কুরআন মসজিদের ১২তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন   সিম্পল রিজনের উদ্যোগে সিলেটে দিনমজুরদের মাঝে দা’ওয়াহ কার্যক্রম ও ফুডপ্যাক বিতরণ সম্পন্ন   ইসলামের চিন্তা ও একদল ভুল মানুষ   হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

কিয়ামতের দিন নিঃস্ব মুসলিম: যখন কেড়ে নেওয়া হবে নেক আমল

২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ

    শেয়ার করুন

একজন মুসলিম বছরের পর বছর নামাজ আদায় করতে পারেন, রমজানের রোজা রাখতে পারেন, জাকাত দিতে পারেন এবং ধর্মীয় দায়িত্বগুলো পালন করতে পারেন। কিন্তু কিয়ামতের দিন তিনি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, যখন অন্য মানুষের অধিকারসংক্রান্ত দাবিগুলো তাঁর অর্জিত সব নেক আমলকে হুমকির মুখে ফেলে দেবে।"

নবী মুহাম্মদ ﷺ সহিহ মুসলিমে সংকলিত একটি বিশুদ্ধ হাদিসে এমন একজন ব্যক্তির কথা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ওই ব্যক্তিকে বলেছেন, ‘আল-মুফলিস’, অর্থাৎ নিঃস্ব বা দেউলিয়া ব্যক্তি।

এই হাদিসের বিশেষ তাৎপর্য হলো, ওই ব্যক্তির সমস্যা ইবাদতের অভাব নয়। বরং তিনি ইবাদত নিয়ে উপস্থিত হবেন। কিন্তু দুনিয়ায় যেসব মানুষের প্রতি তিনি অন্যায় করেছেন, তাঁদের অধিকার তখনো অনিষ্পন্ন থাকবে। আর সেই অধিকারগুলোই তাঁর পতনের কারণ হবে।

এই বর্ণনা ইসলামে জবাবদিহির একটি মৌলিক নীতি প্রতিষ্ঠা করে: ইবাদত করলেই অন্যায়ের পরিণতি থেকে রেহাই পাওয়া যায় না।

নিঃস্ব মুসলিম কে?
আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী মুহাম্মদ ﷺ সাহাবিদের জিজ্ঞেস করেছিলেন: “তোমরা কি জানো, নিঃস্ব ব্যক্তি কে?” তাঁরা উত্তর দিলেন, নিঃস্ব ব্যক্তি হলেন সেই ব্যক্তি, যার কাছে কোনো অর্থসম্পদ নেই।

এরপর নবী মুহাম্মদ ﷺ ব্যাখ্যা করলেন, তাঁর উম্মতের প্রকৃত নিঃস্ব ব্যক্তি কিয়ামতের দিন নামাজ, রোজা ও জাকাত নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু একই সঙ্গে সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে, কারও রক্তপাত ঘটিয়েছে এবং কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে।

তখন তার নেক আমলগুলো যাদের প্রতি সে অন্যায় করেছে, তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হবে। সবার দাবি পূরণের আগেই যদি তার নেক আমল শেষ হয়ে যায়, তাহলে যাদের প্রতি সে অন্যায় করেছে, তাদের পাপ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। এরপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৫৮১, পুণ্য ও সদাচার অধ্যায়, জুলুম নিষিদ্ধ হওয়ার অনুচ্ছেদ।

আরবি ‘মুফলিস’ শব্দটি সাধারণত এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যে নিজের সম্পদ হারিয়েছে। কিন্তু এখানে নবী মুহাম্মদ ﷺ পরকালের দৃষ্টিকোণ থেকে দেউলিয়াত্বের নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আখিরাতে অন্য মানুষের অধিকার পরিশোধ না করার কারণে একজন মানুষের সঞ্চিত নেক আমলও হারিয়ে যেতে পারে।

হাদিসে উল্লেখিত অন্যায়ের পাঁচটি ধরন
এই হাদিসে এমন পাঁচটি অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোর পরিণতিতে একজন মানুষ এ ধরনের অবস্থায় পড়তে পারে। সেগুলো হলো, অন্যকে গালি দেওয়া, মানহানিকর অপবাদ দেওয়া, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করা, রক্তপাত ঘটানো এবং কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করা।m এসব অপরাধের সবগুলো আর্থিক অপরাধ নয়।

প্রথম দুটি অপরাধ কথাবার্তা ও সম্মানের সঙ্গে সম্পর্কিত। কেউ অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ না করলেও এবং কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত না করলেও, কাউকে অপমান করা কিংবা তার বিরুদ্ধে গুরুতর মিথ্যা অপবাদ দেওয়ার কারণে তাকে জবাবদিহি করতে হতে পারে।

তৃতীয় অপরাধটি সম্পদের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে অন্যায়ভাবে অর্জিত বা আটকে রাখা সম্পদও অন্তর্ভুক্ত। শেষ দুটি অপরাধ শারীরিক ক্ষতি ও সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ প্রায়ই জুলুম বলতে শাসকদের অত্যাচার, অপরাধীদের কর্মকাণ্ড কিংবা বড় ধরনের নৃশংসতাকে বুঝে থাকে। অথচ এই হাদিসে অন্যায় কথাবার্তা ও সম্মানহানিকেও সম্পদসংক্রান্ত অধিকার লঙ্ঘন এবং শারীরিক ক্ষতিসাধনের পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে।

অতএব, এই সতর্কবাণী এমন সব আচরণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যা মানুষের দৈনন্দিন সম্পর্ক, পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক জীবনে ঘটতে পারে।

কীভাবে নেক আমল ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে
এই হাদিসের সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, মানুষের প্রতি করা অন্যায়ের অনিষ্পন্ন দাবিগুলো কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে। নবী মুহাম্মদ ﷺ ব্যাখ্যা করেছেন, অন্যায়কারী ব্যক্তির নেক আমলগুলো যাদের সে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাদের দিয়ে দেওয়া হবে।

যদি একাধিক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে ন্যায্য দাবি রাখেন, তাহলে তাদের মধ্যে তার নেক আমল বণ্টন করা হবে। সব দাবি নিষ্পত্তির আগেই যদি তার নেক আমল শেষ হয়ে যায়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পাপ অন্যায়কারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ, জালিম ব্যক্তি তার সঞ্চিত নেকির প্রতিদান হারাতে পারে, আর মজলুম ব্যক্তি তার প্রাপ্য প্রতিদান পেতে পারেন।

ইমাম নববী সহিহ মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেছেন, দুনিয়ার দেউলিয়াত্ব সাময়িক হতে পারে। কোনো ব্যক্তি অর্থ হারালে পরে আবার আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারেন। কিন্তু হাদিসে বর্ণিত দেউলিয়াত্ব অনেক বেশি গুরুতর। কারণ এটি চূড়ান্ত হিসাবের দিনে নিজের নেক আমল হারিয়ে ফেলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ইমাম নববী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মতাত্ত্বিক প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন: একজন মানুষ কীভাবে অন্য কারও করা পাপের বোঝা বহন করবেন?

তাঁর ব্যাখ্যা হলো, অন্যায়কারীকে ইচ্ছামতো অন্যের অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে না। বরং তার নিজের জুলুম এবং যাদের ক্ষতি করেছে, তাদের অধিকার পরিশোধ না করার কারণে এই পাপের বোঝা তার ওপর স্থানান্তরিত হবে।
সূত্র: ইমাম নববী, সহিহ মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থ, জুলুম নিষিদ্ধ হওয়ার অনুচ্ছেদ।

ঋণ পরিশোধের জন্য তখন আর কোনো অর্থ থাকবে না
আরেকটি বিশুদ্ধ হাদিসে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, মৃত্যুর আগেই কেন অন্যায়ের মীমাংসা করা জরুরি। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, নবী মুহাম্মদﷺ নির্দেশ দিয়েছেন, কেউ যদি অন্য কোনো ব্যক্তির প্রতি অন্যায় করে থাকে, তা তার সম্মানহানির মাধ্যমে হোক কিংবা অন্য কোনোভাবে, তাহলে কিয়ামতের দিন আসার আগেই তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত।

এর কারণও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: সেদিন ক্ষতিপূরণ হিসেবে অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।

বরং অন্যায়কারীর অন্যায়ের পরিমাণ অনুযায়ী তার নেক আমল থেকে নিয়ে নেওয়া হবে। তার কোনো নেক আমল অবশিষ্ট না থাকলে, যার প্রতি সে জুলুম করেছে, তার পাপ অন্যায়কারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ২৪৪৯।

এই হাদিস মানুষের দায়িত্বকে দুটি ভাগে পৃথক করে দেখায়: আল্লাহর প্রতি মানুষের দায়িত্ব এবং অন্য মানুষের প্রতি মানুষের অধিকার। একজন মানুষকে উভয় দায়িত্বই পালন করতে হবে।

অতিরিক্ত নফল ইবাদত করা কখনো চুরি করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া, প্রকৃত ঋণ পরিশোধ করা কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির প্রতি করা ক্ষতির প্রতিকার করার বিকল্প হতে পারে না।

শহীদ হওয়াও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঋণ মুছে দেয় না
আরেকটি বিশুদ্ধ হাদিসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন: “শহীদের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়, ঋণ ছাড়া।”
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৮৮৬।

এটি আর্থিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবাণী। ইসলামে শহীদের মর্যাদা অসাধারণ। তা সত্ত্বেও নবী মুহাম্মদ ﷺ এই বর্ণনায় সাধারণ ক্ষমার আওতা থেকে ঋণকে স্পষ্টভাবে পৃথক করেছেন। এর তাৎপর্য পরিষ্কার: অন্য মানুষের অধিকার কোনো তুচ্ছ বিষয় নয়, যা কেউ অসাধারণ কোনো নেক আমল করলেই আপনা-আপনি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

এ কারণেই একজন মুসলিমের উচিত নয়, নিজের নেককার হওয়ার ওপর ভরসা করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণ পরিশোধে দেরি করা এবং মনে করা যে তাঁর ব্যক্তিগত ধার্মিকতা সব অনিষ্পন্ন দায়দেনা মিটিয়ে দেবে।

পশুদের মধ্যেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে
কিয়ামতের দিন জবাবদিহির ব্যাপকতা বোঝাতে সহিহ মুসলিমে নিঃস্ব মুসলিমের হাদিসটির পরপরই আরেকটি বর্ণনা এসেছে। নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন, সেদিন প্রত্যেক অধিকার তার প্রকৃত অধিকারীকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি শিংবিহীন ভেড়াকেও শিংওয়ালা ভেড়ার কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়া হবে।
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৫৮২।

ইমাম নববী ব্যাখ্যা করেছেন, এই বর্ণনা পশুদের একত্র করা এবং তাদের মধ্যে সংঘটিত অন্যায়ের নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করে। এখানে উদ্দেশ্য এই নয় যে, পশুরা মানুষের মতো একইভাবে নৈতিক জবাবদিহির অধীন। বরং এই বর্ণনা আল্লাহর ন্যায়বিচারের পূর্ণতা তুলে ধরে।

পশুদের মধ্যকার অন্যায়ও যদি উপেক্ষা করা না হয়, তাহলে মানুষের প্রতি ইচ্ছাকৃত জুলুমকে কোনোভাবেই তুচ্ছ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

পুলসিরাত পার হওয়ার পরও অন্যায়ের হিসাব মেটাতে হবে
আরেকটি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত বর্ণনা আখিরাতে মানুষের পারস্পরিক অন্যায়কে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা তুলে ধরে। সহিহ বুখারিতে আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন, যেসব মুমিন জাহান্নামের ওপর নির্মিত সেতু নিরাপদে পার হবেন, তাঁদের জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি স্থানে থামানো হবে।

সেখানে দুনিয়ায় তাঁদের পরস্পরের মধ্যে সংঘটিত অন্যায়গুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর যখন তাঁদের পরিশুদ্ধ করা হবে, কেবল তখনই তাঁদের জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সূত্র: সহিহ বুখারি, হাদিস ২৪৪০।

এই স্থানটি সাধারণত ‘আল-কানতারাহ’ নামে পরিচিত। এই বর্ণনায় এমন মুমিনদের কথা বলা হয়েছে, যারা ইতিমধ্যে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এ কারণেই এখানকার শিক্ষা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জান্নাতে প্রবেশের আগেও তাঁদের মধ্যে অবশিষ্ট পারস্পরিক অভিযোগ ও অধিকারসংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি করতে হবে। এটি আরও প্রমাণ করে যে, ইসলামী বিশ্বাসে ব্যক্তির অধিকার কোনো গৌণ বিষয় নয়।

কেন তওবার সঙ্গে অন্যের অধিকারও ফিরিয়ে দিতে হবে
নিঃস্ব মুসলিমের হাদিসকে এভাবে বোঝা উচিত নয় যে, কোনো মুসলিম জীবনে কখনো কারও প্রতি অন্যায় করে থাকলে অবশ্যই তার সব নেক আমল হারিয়ে যাবে।
বরং এই হাদিসে এমন অন্যায়ের পরিণতি বর্ণনা করা হয়েছে, যেগুলোর নিষ্পত্তি আল্লাহর বিচার ও ফয়সালার অধীন থাকবে। ইসলামে তওবার পথ খোলা রয়েছে। কিন্তু অন্য মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শুধু নিজের মনে অনুতপ্ত হওয়াই যথেষ্ট নয়।

কারও সম্পদ নেওয়া হলে তা ফিরিয়ে দিতে হবে, অথবা যথাযথভাবে সেই দায় নিষ্পত্তি করতে হবে। কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলে অন্যায়ের ধরন অনুযায়ী ক্ষতি পূরণ, প্রতিকার এবং ক্ষমা প্রার্থনার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

আল্লাহ সূরা আন-নিসার ৫৮ নম্বর আয়াতে নির্দেশ দিয়েছেন, আমানত তার প্রকৃত অধিকারীদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং মানুষের মধ্যে বিচার করতে হবে ন্যায়বিচারের সঙ্গে।

পৃথিবীতে থাকতেই এসব দায়দেনা মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মৃত্যুর পর কোনো ব্যক্তি ধরে নিতে পারেন না যে, অর্থ, প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত সুনাম তাঁকে অন্য মানুষের দাবির মুখে সুরক্ষা দেবে।

সতর্কবাণী ইবাদতের বিরুদ্ধে নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে
এই হাদিসকে নামাজ, রোজা কিংবা জাকাতের গুরুত্ব কমিয়ে দেখানোর জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। ইসলামে এগুলো মৌলিক দায়িত্ব। নবী মুহাম্মদ ﷺএই ইবাদতগুলোর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, কারণ এগুলো মূল্যবান নেক আমল। এগুলো হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই সতর্কবাণীটিকে এত কঠোর ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

এই হাদিসের শিক্ষা হলো, একজন মুসলিমের ধর্মীয় অবস্থান কেবল তার প্রকাশ্য ইবাদত দিয়ে বিচার করা যায় না। অন্য মানুষের সঙ্গে সে কেমন আচরণ করে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

কেউ নিয়মিত নামাজ আদায় করতে পারেন, অথচ অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে অসতর্ক হতে পারেন। কেউ দান-সদকা করতে পারেন, অথচ অন্যের প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখতে পারেন। আবার কেউ নফল রোজা রাখতে পারেন, অথচ নিয়মিত অন্যকে অপমান বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে পারেন।

ইসলাম এ ধরনের বৈপরীত্যকে নৈতিকভাবে গুরুত্বহীন বলে বিবেচনা করে না। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-আম্বিয়ার ৪৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের পাল্লা স্থাপন করা হবে এবং কোনো ব্যক্তির প্রতি সামান্যতমও অন্যায় করা হবে না, এমনকি তা সরিষার দানা পরিমাণ হলেও। জবাবদিহির মধ্যে আল্লাহর প্রতি মানুষের দায়িত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি তাঁর সৃষ্টির প্রতি মানুষের দায়িত্বও রয়েছে।

উপসংহার
নিঃস্ব মুসলিমের হাদিসটি কিয়ামতের দিন কীভাবে অন্যায় একজন মানুষের মর্যাদা ও পরিণতিকে বিপন্ন করতে পারে, তার অন্যতম স্পষ্ট বর্ণনা। এখানে বর্ণিত ব্যক্তি ইবাদতহীন নন। তিনি নামাজ, রোজা ও জাকাত নিয়ে উপস্থিত হবেন। কিন্তু তাঁর আমলনামায় এমন মানুষেরও অনিষ্পন্ন দাবি থাকবে, যাদের তিনি গালি দিয়েছেন, অপবাদ দিয়েছেন, শোষণ করেছেন কিংবা শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

নবী মুহাম্মদ ﷺ ব্যাখ্যা করেছেন, এসব দাবি তাঁর নেক আমল থেকে পূরণ করা হবে। নেক আমল শেষ হয়ে গেলে অবশিষ্ট দায়ের কারণে যাদের প্রতি তিনি অন্যায় করেছেন, তাদের পাপ তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে।

এই শিক্ষার তাৎপর্য শুধু আদালত, বাজার কিংবা আর্থিক ঋণ পরিশোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের সুনাম, মর্যাদা, শারীরিক নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ‘আল-মুফলিস’ বা নিঃস্ব ব্যক্তির হাদিসের শিক্ষা শুধু আরও বেশি নেক আমল সঞ্চয় করা নয়। বরং অন্যায় করে সেই নেক আমল হারিয়ে ফেলা থেকে নিজেকে রক্ষা করা। হিসাব-নিকাশ মিটিয়ে নেওয়ার উপযুক্ত সময় দুনিয়াতেই, সেই দিন আসার আগে, যেদিন আর্থিক সম্পদ দিয়ে কোনো পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না।

 

তারিখ: ২১ অক্টোবর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnaFiles Web

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কিয়ামতের দিন নিঃস্ব মুসলিম: যখন কেড়ে নেওয়া হবে নেক আমল

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আসামে উচ্ছেদ ১,১০০টিরও বেশি বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১০টি মসজিদ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

ঠিকানা: বি এ এস বি কমপ্লেক্স, ক্বারীপাড়া, আখালিয়া, সিলেট-৩১০০, বাংলাদেশ।

+8801932-188582

globalaffairsbrand@gmail.com, info@theglobalaffairs.info