ভারতশাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজের আগে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াক্ফ বোর্ড। এ নিয়ে রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, মুসলিমদের ধর্মীয় পরিসরের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে সরকার।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় নেত্রী দারাক্ষান আন্দ্রাবি জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াক্ফ বোর্ডের প্রধান। ২০১৯ সালে ভারত সরকার এই অঞ্চলটির আগের আধা-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা বাতিল করে। একই সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এর আগে অঞ্চলটি পূর্ণাঙ্গ রাজ্য হিসেবে পরিচালিত হতো।
ইসলামি আইন অনুযায়ী মুসলিমদের ধর্মীয় কল্যাণমূলক সম্পত্তি ও দানসম্পদ তদারকির দায়িত্বে থাকা বোর্ডটি গত সপ্তাহের শেষ দিকে বিতর্কিত এই প্রস্তাব ঘোষণা করে। এর পরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। কাশ্মীরের শীর্ষস্থানীয় মুসলিম আলেমরা এই প্রস্তাবের নিন্দা জানিয়ে একে ‘কাশ্মীরি মুসলিমদের ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেন।
সব মসজিদে একই খুতবা চালুর সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দ্রাবি ভারতের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রকে বলেন, বোর্ডের অধীনে গঠনের প্রস্তাব দেওয়া একটি কমিটি ‘একই খুতবা নির্ধারণের বিষয়টি দেখভালের একমাত্র দায়িত্বে থাকবে’। তাঁর ভাষায়, ‘এ অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা, বিশেষ করে মাদকাসক্তিসহ সামাজিক অনাচার মোকাবিলার জন্য এই পদক্ষেপ প্রয়োজন।’
আন্দ্রাবি সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, জুমার খুতবা ধর্মীয় আলেমরা অনুমোদন করবেন এবং এ সিদ্ধান্তে কোনো সরকারি কর্মকর্তার ভূমিকা থাকবে না।
‘আমাদের উদ্বেগকে উপেক্ষা করা হয়েছে’
রোববার ওয়াক্ফ বোর্ড কাশ্মীর অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ধর্মীয় বক্তাকে তলব করে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সরাসরি সভাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যন্ত এলাকার অন্যরা অনলাইনে সভায় অংশ নেন।
কাশ্মীরের সবচেয়ে বড় শহর শ্রীনগর থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ি রাজৌরি জেলার এক আলেম অনলাইনে সভায় অংশ নিয়েছিলেন।
তিনি আল-জাজিরাকে জানান, আন্দ্রাবি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে জ্যেষ্ঠ আলেমদের একটি কমিটির তৈরি করা এবং আগে থেকে অনুমোদিত খুতবাই প্রতি শুক্রবার মসজিদের মিম্বরে একইভাবে পাঠ করতে হবে। তবে ওই কমিটিতে ঠিক কারা থাকবেন, তা তাঁদের জানানো হয়নি বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই আলেম বলেন, “আমরা আপত্তি জানিয়ে বলেছিলাম, খুতবায় ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী কিছু থাকলে আমরা এই নির্দেশনা মেনে চলব না। কিন্তু তিনি আমাদের উদ্বেগকে উপেক্ষা করেন এবং কথা বলার সুযোগ দেননি।”
কর্তৃপক্ষের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের আশঙ্কায় নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “তিনি (আন্দ্রাবি) বলেছেন, তাঁদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, কারণ গত চার বছর ধরে এটি নিয়ে কাজ চলছে।”
ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের দাবির মুখে থাকা বিতর্কিত অঞ্চল কাশ্মীর গত চার দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কাশ্মীরিরা কোন দেশকে বেছে নেবেন, তা নির্ধারণে গণভোট আয়োজনের দাবিতে বহু বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলেছিল। ১৯৮৯ সালে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের পর সেই আন্দোলন ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহে রূপ নেয়।
২০১৯ সালে ভারত কাশ্মীরের আধা-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা বাতিল করে সরাসরি কেন্দ্রীয় শাসন জারি করে। এরপর ২০২৪ সাল পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর স্থানীয় সরকার পুনর্নির্বাচিত হলেও তার ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়। কার্যত এখনো নয়াদিল্লি নিযুক্ত প্রশাসকের হাতেই চূড়ান্ত কর্তৃত্ব রয়েছে।
আগের বিশেষ মর্যাদার অধীনে কাশ্মীরিদের জমি ও বসবাসসংক্রান্ত কিছু বিশেষ অধিকার সুরক্ষিত ছিল। পাশাপাশি নিজেদের আইন প্রণয়নের সুযোগও ছিল তাঁদের। ২০১৯ সালের সিদ্ধান্তের একটি পরিণতি ছিল ওয়াক্ফ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রচলিত আইনি কাঠামোর বিলুপ্তি। মুসলিমরা বৃহত্তর সামাজিক ও সামষ্টিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে যে সম্পত্তি ও সম্পদ দান করেন, সেগুলো পরিচালনার জন্য আগে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ব্যবস্থা ছিল। পরে সেগুলোর পরিবর্তে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে প্রচলিত আইন ও বিধিব্যবস্থা কার্যকর করা হয়।
‘ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা’
নতুন ব্যবস্থার ফলে স্থানীয় ওয়াক্ফসহ ধর্মীয় বোর্ডগুলোর পরিচালনায় কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আমলাতন্ত্রকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর থেকে কাশ্মীরের স্থানীয় নেতারা একাধিকবার ওয়াক্ফ বোর্ডের বিরুদ্ধে ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন।
কাশ্মীরের আগের নির্বাচিত সরকারের আমলে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ নাঈম আখতার আল-জাজিরাকে বলেন, “মধ্যযুগে সুলতান বা খলিফার নামে কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত খুতবা পাঠ করা হতো। কিন্তু তখন এর একটি ধর্মীয় বৈধতা ছিল, কারণ কাশ্মীর তখন একটি ইসলামি রাষ্ট্র ছিল। আজ আমাদের একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে বসবাস করার কথা।”
তিনি আরও বলেন, “যতক্ষণ একজন ধর্মীয় বক্তার শ্রোতা রয়েছে, ততক্ষণ তিনি নিজের পছন্দের যেকোনো বিষয়ে কথা বলার স্বাধীনতা রাখেন। আইনের মৌলিক ভিত্তিতেই এই স্বাধীনতা স্বীকৃত।”
আখতারের মতে, নতুন নির্দেশনাগুলো এমন একজন পদাধিকারীর কাছ থেকে এসেছে, যিনি বিজেপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ কারণেই সর্বশেষ পদক্ষেপটি এত তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, “বোর্ডের কাজ কেবল ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত। ধর্মীয় বক্তারা কীভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন, তা শেখাতে বা তাঁদের পথনির্দেশ দিতে গিয়ে বোর্ড নিজের এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করছে। ভারতে কোনো মুসলিম রাজনৈতিক দল কি কখনো নির্দেশ দিতে পারবে, একজন হিন্দু পুরোহিত কীভাবে পূজা করবেন কিংবা একজন খ্রিষ্টান যাজক রোববার কীভাবে ধর্মোপদেশ দেবেন?”
মঙ্গলবার কাশ্মীরের শীর্ষস্থানীয় মুসলিম ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুক সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ হবে ‘সরাসরি হস্তক্ষেপ’। তাঁর নেতৃত্বাধীন একাধিক ধর্মীয় সংগঠনের যৌথ মঞ্চ মুত্তাহিদা মাজলিসে উলামা এক বিবৃতিতে জানায়, “খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা ইসলামি আলেমদের দায়িত্ব, কোনো প্রশাসনিক সংস্থার নয়।”
এই নিন্দার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন অঞ্চলটির নির্বাচিত সরকারপ্রধান এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স দলের নেতা ওমর আবদুল্লাহ। দলটি ভারতের সঙ্গে কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে অবস্থান নিলেও সাত বছর আগে নয়াদিল্লি যে স্বায়ত্তশাসন বাতিল করেছিল, সেই ক্ষমতাগুলো পুনর্বহালের পক্ষে।
ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার মুখে ওয়াক্ফ বোর্ডের প্রধান আন্দ্রাবি তাঁর আগের বক্তব্য প্রত্যাহার করেন। তিনি বলেন, আত্মহত্যা বৃদ্ধি, মানসিক আঘাত, মাদকাসক্তি এবং এ ধরনের সামাজিক সমস্যা নিয়ে কথা বলার বিষয়টি ‘স্বাধীন আলেম, ধর্মীয় বক্তা ও খুতবা প্রদানকারীদের’ নিজস্ব বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা’
স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টার অভিযোগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এই প্রথম সমালোচনার মুখে পড়েনি। এর আগে জানুয়ারি মাসে কাশ্মীরি মুসলিম আলেমরা সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন। সে সময় পুলিশ ‘মসজিদের পরিচিতি ও বিবরণ সংগ্রহ’ শিরোনামে চার পৃষ্ঠার একটি ফরম বিতরণ করে। এতে বিতর্কিত অঞ্চলটির বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। এসব তথ্যের মধ্যে তাঁদের শারীরিক পরিচিতি শনাক্ত করার উপাত্তও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বহু বছর ধরে অঞ্চলটির মুসলিম ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিধিনিষেধের মুখোমুখি হয়েছে। শ্রীনগরের ৬০০ বছরের পুরোনো জামিয়া মসজিদও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় প্রায়ই বন্ধ রাখা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঈদের নামাজ এবং লাইলাতুল কদর, যা ইসলামি বর্ষপঞ্জির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত এবং রমজান মাসে পালিত হয়।
প্রশাসনের দাবি, শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তবে ধর্মীয় নেতাদের বক্তব্য, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপ কাশ্মীরি মুসলিমদের ‘ধর্মীয় পরিচয়, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকারের ওপর পরিকল্পিত আঘাত’।
কাশ্মীরের প্রধান ধর্মীয় নেতা ফারুক নিজেও প্রায়ই চলাচলের ওপর এ ধরনের বিধিনিষেধের শিকার হন। এর ফলে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার কথা থাকলেও অনেক সময় তাঁকে জুমার খুতবা দিতে দেওয়া হয় না।
এর আগে ওয়াক্ফ বোর্ড অঞ্চলটির প্রধান মাজারগুলোর চত্বরে হলুদ চাল বিতরণের প্রথা বন্ধ করার উদ্যোগও নিয়েছিল। কাশ্মীরে ইসলাম প্রচারে ভূমিকা রাখা সুফি ধর্মপ্রচারক পরিষদগুলোর সঙ্গে যুক্ত এই প্রথা শত শত বছর ধরে চলে আসছে।
রাজনৈতিক সমর্থন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে ধর্মের ভূমিকা
২০২২ সালে ওয়াক্ফ বোর্ড ভক্তদের পক্ষ থেকে আধ্যাত্মিক পীর, মাজারের খাদেম ও পরিচর্যাকারীদের উদ্দেশে স্বেচ্ছায় দেওয়া নজর-নিয়াজের অনুদান সংগ্রহের দীর্ঘদিনের প্রথাও নিষিদ্ধ করে। এ সিদ্ধান্তের পক্ষে বোর্ড নতুনভাবে প্রযোজ্য কেন্দ্রীয় আইনকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরে। এরপর বোর্ড সব ধরনের আর্থিক অনুদান সংগ্রহের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় এবং নতুন দানবাক্স স্থাপন করে। এসব বাক্সে দেওয়া সব অনুদান বোর্ডের কাছে জমা হতো।
কাশ্মীরের প্রবীণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ নূর আহমদ বাবা বলেন, কাশ্মীরে রাজনৈতিক সমর্থন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে ধর্ম সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ কারণেই ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা বা পরিবর্তনের চেষ্টা রাজনৈতিক ক্ষোভের জন্ম দেয়।
বিজেপির প্রসঙ্গ টেনে বাবা আল-জাজিরাকে বলেন, “আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থা এবং মুসলিমদের বিষয়ে তাদের রাজনৈতিক আচরণই পুরো উদ্যোগটিকে সন্দেহজনক করে তুলেছে।” তিনি আরও বলেন, “উদাহরণস্বরূপ, যদি জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য আলেমদের কাছ থেকে একই ধরনের খুতবা চালুর প্রস্তাব আসত, তাহলে এটি কোনো সমস্যা হয়ে দাঁড়াত না। মাদকাসক্তি, দেরিতে বিয়ে, জলবায়ু পরিবর্তন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং এ ধরনের বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের কথা বলার প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করতে পারে না।”
শ্রীনগরভিত্তিক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, যিনি চার দশক ধরে কাশ্মীরের সংঘাত নিয়ে লেখালেখি করছেন, বলেন, ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মধ্যে কাশ্মীরে সম্ভাব্য বিক্ষোভ আগেভাগেই নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রচেষ্টার প্রতিফলন এসব সিদ্ধান্তে দেখা যায়।
প্রতিশোধের আশঙ্কায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিশ্লেষক আল-জাজিরাকে বলেন, “উত্তর প্রদেশের উজ্জয়িন ও সাহারানপুরের মতো শহরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনা দেখিয়েছে, ভারতের শাসনব্যবস্থার ভেতরে থাকা উগ্র ডানপন্থী প্রবণতাগুলো কতটা জোরালোভাবে আবার সামনে আসছে।”
তিনি আরও বলেন, “মোদি সরকারের এই নতুন সাম্প্রদায়িক অবস্থান কাশ্মীরের মতো জায়গায় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। মসজিদগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে এই প্রেক্ষাপটেই দেখতে হবে।”
তারিখ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: SunnaFiles Web
কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার
কাশ্মীরে মসজিদগুলোতে একই খুতবা চালুর প্রস্তাব ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া
সাইবার বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা: মুসলিমদের স্পাইওয়্যার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান
গাজার ‘হলুদ রেখা’ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে: যুদ্ধবিরতির আড়ালে কি গাজাকে স্থায়ীভাবে বিভক্ত করছে ইসরায়েল?
আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, হিজাব পরায় স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুসলিম ছাত্রীদের
৭ অক্টোবরের পর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিরা কী সঙ্গে নিয়েছিলেন?
সিলেট দাওয়াহ এন্ড এডুকেশন সেন্টারের আয়োজনে বিশেষ নাসীহাহ সেশন অনুষ্ঠিত
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কীভাবে ক্যাথলিক যাজকদের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারকে পরিণত হলো
আল-আকসায় ‘মহাকায় সিজদা’ কী এবং কেন খেজুরের পাতা উঁচু করে ধরা হচ্ছে?
ইউরোপে কেন হঠাৎ নিকাব নিষিদ্ধের তোড়জোড়?
কিয়ামতের অন্যতম বড় নিদর্শন 'ধোঁয়া': সুন্নি আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যাখ্যা
মক্কা-মদিনায় হামলার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে বিশ্বের মুসলিমরা: কায়কোবাদ
পবিত্র মক্কা অভিমুখে হুথিদের পাঠানো ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সৌদি আরবের
ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ২৫২টি মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ
গাজা যুদ্ধের প্রথম বছরেই ইসরায়েলের সাথে ১২৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি মাইক্রোসফটের
নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর খাদ্যাভ্যাস: সুস্থ জীবনের জন্য ১০টি উপকারী খাবার