হাফিজ শা’বান: শুনতে যতই অস্বস্তিকর মনে হোক না কেন, আল-আকসা পুনরায় খুলে দেওয়ার আনন্দের মাঝেও এই প্রশ্নটি এখন তুলতেই হবে। আল্লাহ না করুন, এমন ঘটনা যেন কখনো না ঘটে। কিন্তু আমাদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া কি আরও ভয়াবহ কোনো পরিকল্পনার পূর্বাভাস ছিল না?
আল-আকসা ৪০ দিন বন্ধ ছিল। এটা কি কেবলই কাকতালীয়? কারণ হযরত মূসা (আ.) সিনাই পর্বতে আল্লাহর সঙ্গে ৪০ দিনের যে নির্ধারিত সময়ে ছিলেন, সেই সময়েই বনি ইসরাঈলকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাহলে আমাদেরও কি এই ৪০ দিন পরীক্ষা নেওয়া হলো? যদি হয়ে থাকে, তবে আমরা কী করলাম? এ সময় জায়নবাদীরা কি মুসলিম উম্মাহর প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেনি? আজ যা দেখা যাচ্ছে, তা কি আরও বড় বিপদের প্রস্তুতি নয়?
|
প্রেক্ষাপট
|
জায়নবাদী দখলদারিত্বে আল-আকসার অবমাননা
সাম্প্রতিক ইতিহাসে ক্রুসেডের যুগের পর সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য মসজিদ আল-আকসা বন্ধ রাখা হয়েছে, অবরুদ্ধ করা হয়েছে এবং উম্মাহর নাগালের বাইরে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে মুসলমানদের স্বাধীনভাবে ইবাদত করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এমনকি মসজিদের চারপাশের এলাকাতেও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, এবং তরুণ থেকে বৃদ্ধ সব ফিলিস্তিনিকেই জোরপূর্বক ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
স্পষ্ট করে বলতে হবে, আল-আকসা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং প্রথম কিবলা পরিকল্পিতভাবে অবমাননার শিকার হচ্ছে। আমরা দেখেছি বারবার হামলা, মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করার চেষ্টা, ইচ্ছাকৃত উসকানি, হত্যা, গুলি, অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ, এমনকি এখন মসজিদ চত্বরেই ধর্মীয় আচারও পালন করা হচ্ছে।
এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বছর বছর এসব আরও বাড়ছে। উগ্র জায়নবাদী রাজনীতিকদের উৎসাহে জড়িতরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে, এবং তারা প্রকাশ্যেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সমর্থন পাচ্ছে। ইতামার বেন-গভিরের মতো ব্যক্তিরা বারবার এ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করছে। তারা এটি লুকাচ্ছে না, অস্বীকারও করছে না। বরং তারা এটিকে স্বাভাবিক করে তুলতেই আনন্দ পাচ্ছে।
আল-আকসা ধ্বংসের পরিকল্পনা
উদ্বেগের বিষয় শুধু দখল নয়, বরং উদ্দেশ্য। বহু বছর ধরে উগ্র জায়নবাদী গোষ্ঠীগুলো প্রকাশ্যে বলে আসছে, তারা ‘আল-আকসা’ সরিয়ে সেখানে তথাকথিত ‘থার্ড টেম্পল’ নির্মাণ করতে চায়। “Temple Mount Faithful” ও “Returning to the Mountain” নামের গোষ্ঠীগুলো তাদের পরিকল্পনা গোপন করেনি। তারা আল-আকসায় হামলা, পশু বলিদান এবং স্থানটিকে ইহুদিকরণের ডাক দিয়ে আসছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে লাল বাছুর ইসরায়েলে আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে, কারণ তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী মন্দির নির্মাণের আগে এর ছাই প্রয়োজন।
এখন একটু থেমে বিষয়টি গভীরভাবে ভাবুন! কারণ এখানেই এসে সামনে দাঁড়ায় এক বেদনাদায়ক ও অস্বস্তিকর প্রশ্ন, যে প্রশ্ন আমরা এড়িয়ে যেতে চাই, যদিও ঘটনাগুলো আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। তারা কি শেষ পর্যন্ত মাসজিদে আকসা-এর স্থানে একটি ‘সিনাগগ’ প্রতিষ্ঠায় সফল হবে? তাদের থামাবে কে? বাস্তবতা হলো, এটি বহু দশক ধরে গোপন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। দীর্ঘদিন ধরেই এ লক্ষ্য প্রকাশ্যে বলা হয়ে আসছে। আর আজ, আল-আকসা পুনরায় খুলে দেওয়ার পরও, সেই ঘোষিত পরিকল্পনাকে ধাপে ধাপে বাস্তবতার দিকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ক্রুসেডারদের চেয়েও ভয়ংকর?
১০৯৯ সালে ক্রুসেডাররা জেরুজালেম দখল করে হাজারো মুসলমানকে হত্যা করেছিল। আল-আকসাকে তারা অপবিত্র করেছিল, এমনকি ঘোড়ার আস্তাবলে পরিণত করেছিল। কিন্তু তখনও তারা আল-আকসা ধ্বংস করতে চায়নি, বরং তারা এর ইতিহাস, তাৎপর্য ও গঠনশেলীকে স্বীকার করতো।
আজ আমরা ভিন্ন এক বাস্তবতার মুখোমুখি। জায়নবাদীরা আরও অনেক দূর যেতে চায়। দখলদারিত্ব ও নানা অবমাননা এক বিষয়, কিন্তু পুরোপুরি মুছে ফেলার চেষ্টা সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার বিষয়। আর কেন তারা এতটা এগোতে সাহস পাচ্ছে? কারণ এই ধারণার বিরুদ্ধে কোনো বাস্তব প্রতিরোধ নেই, নেই কোনো কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা, কোনো ঐক্যবদ্ধ জবাব। যেখানে ক্ষোভ থাকার কথা, সেখানে নীরবতা। যেখানে ঐক্য থাকার কথা, সেখানে বিভক্তির বিষবাষ্প। আর কোথায় সেই যোগ্যতাসম্পন্ন নেতৃত্ব? কোথায় ইমাদ উদ্দিন জেঙ্গি, নূর উদ্দিন জেঙ্গি, সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর মতো নেতারা? আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন। তারা ছিলেন এমন মানুষ, যারা আল-আকসার জন্য বেঁচেছিলেন, এর মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং দিন-রাত এর জন্য কাজ ও ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
১০৯৯ সাল থেকে ১১৮৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৮৮ বছর তারা প্রস্তুতি নিয়েছেন, ঐক্য গড়েছেন এবং মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন, অবশেষে আল্লাহ বিজয় দান করেছেন। তারা অপেক্ষা করেননি, কিংবা আজকাল আমরা যেভাবে দেখি শুধু ফাঁকা বিবৃতি দিয়েই থেমে থাকেননি। তাই প্রশ্ন হলো, যদি আমরা সত্যিই আল-আকসাকে ভালোবাসি, তাহলে আজ আমাদের মধ্যে সেই দূরদৃষ্টি, সেই প্রেরণা, সেই কর্মচাঞ্চল্য, সেই উদ্যম কোথায়?
কতিপয় আরব শাসক আল-আকসা দখলের সহযোগী
আল-আকসাকে যখন প্রকাশ্যে অপমান ও লঙ্ঘন করা হচ্ছে, তখন কিছু অকার্যকর আরব পুতুল নেতা এবং অন্যান্য মুসলিম শাসক নীরব রয়েছে, অথবা বাস্তব কোনো পদক্ষেপ ছাড়াই ফাঁকা কথাবার্তা বলছে। মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীর-এর তথাকথিত “খাদেমদের” কি আল-আকসা-ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান এভাবে অপবিত্র হতে দেখে কষ্ট হয় না? আর যারা সেই উসমানী খেলাফতের মহান উত্তরাধিকারের দাবিদার, যারা ফিলিস্তিন বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, তাদের অবস্থান কোথায়? এসব লোকদের কাছ থেকে কি আপনি সামান্য কোনো প্রতিবাদের শব্দও শুনেছেন?
এই আরব এবং নিজেদের মুসলিম পরিচয়দানকারী শাসকরা আল-আকসার দখল, অপবিত্রকরণ ও অবমাননার পুরোপুরি সহযোগী। কারণ তারা জায়নবাদী শাসকদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে, তাদের দখলদারিত্ব মেনে নিচ্ছে এবং তাদের ধারাবাহিক অপরাধের দিকে চোখ বন্ধ করে রাখছে। আমি বলব, পর্দার আড়ালে তারা জায়নবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, বাণিজ্যিক যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে আল-আকসার পবিত্রতা লঙ্ঘনের এসব কর্মকাণ্ডকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে।
আলেম সমাজের নীরবতা
নবীদের উত্তরাধিকারী হিসেবে পরিচিত আলেমদের বলছি, আপনারা কি আল-আকসার ইতিহাস অধ্যয়ন করেননি? অতীতে কি মহান আলেমরাই এর মুক্তির সংগ্রামে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেননি? তাহলে আজ সেই সম্মানিত উত্তরাধিকারের প্রকৃত ধারক আলেমরা কোথায়? কারণ আমরা আজ যা দেখছি, তা হলো মিম্বর থেকে এক বজ্রনীরবতা। যে মিম্বর একসময় উম্মাহকে গড়ে তুলত, দিকনির্দেশনা দিত এবং আন্দোলিত করত, আজ সেটিই নীরব হয়ে আছে।
এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলা খুতবাগুলো কোথায়? প্রয়োজনীয়তা কোথায়? আমরা কি ভুলে গেছি, একসময় আলেমরাই সামনের কাতারে দাঁড়াতেন? যেমন আবদুল কাদির জিলানি, ঈসা আল-হাক্কারি, নাজমুদ্দিন আইয়ুব এবং ইমাদ উদ্দিন আল-ইসফাহানি। তারা সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর পাশে দাঁড়িয়ে নৈতিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত শক্তির সঞ্চার করেছেন। উম্মাহকে সংগঠিত করেছেন। সংকটের সময়ে তারা ছিলেন অবিচল।
তাই আমাদের প্রশ্ন করতেই হয়, আজ সেই কণ্ঠগুলো কোথায়? তারা কি আল-আকসার ওপর নেমে আসা বিপদ দেখছেন না? তারা কি এই মুহূর্তের জরুরিতা অনুভব করছেন না?
বৃহত্তর উম্মাহও নীরব থাকতে পারে না
উপরের সবকিছুর পরও, আল-আকসার জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ হলো উম্মাহর নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা। আমাদের পক্ষে নীরব বা নিষ্ক্রিয় থাকা চলবে না। তাহলে আমাদের কী করা উচিত?
উপসংহার
আল-আকসা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়। এটি আমাদের দীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি কোনো সাধারণ ভূমি নয়, এটি নবীদের আমানত। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য আকাঙ্ক্ষা করেছিলেন; প্রজন্মের পর প্রজন্ম এর জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে। আর আজ, আমাদের মাধ্যমেই এর পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তাহলে কি আমরা এর প্রতিরক্ষা শুধু সম্মানিত ফিলিস্তিনিদের ওপর ছেড়ে দেব? নাকি এর ভবিষ্যৎ মুক্তির গৌরবে নিজেদেরও অংশীদার করতে চাইব? কারণ আমি স্পষ্ট করে বলছি, এটি অবশ্যই মুক্ত হবে। এটাই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার প্রতিশ্রুতি।
এখন একমাত্র প্রশ্ন হলো, আপনি কি এর অংশ হতে চান? যদি চান, তাহলে দাঁড়িয়ে যান, সত্য কথা বলুন, জবাবদিহি দাবি করুন এবং এই উম্মাহর যে ঐক্য প্রয়োজন, তা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করুন।
রেফারেন্স: https://www.aljazeera.com/news/2024/4/9/what-do-texan-red-heifers-have-to-do-with-al-aqsa-and-a-jewish-temple
| হাফিজ শা’বান লন্ডনের একজন নিয়মিত খতিব ও রমজানের ইমাম। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আরবি ভাষা, রাজনীতি ও ইসলামের ইতিহাস অধ্যয়ন করেন। শা’বান ১৯৯৬ সালে দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ২০০১ সালে তিনি ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি নিয়মিত লেখক, কলামিস্ট, প্রকাশক ও ইউটিউবার হিসেবেও পরিচিত। পাশাপাশি তিনি পর্বতারোহণ, ট্রেকিং, সাইক্লিং, দৌড় এবং কিকবক্সিংয়েরও অনুরাগী। |
কৃতজ্ঞতায়: Islam21c
১১ এপ্রিল ২০২৬ ইং
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?
‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক
গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ
ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা
সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের
গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন
গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন
নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই
গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে
ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি
ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা
সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?
‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক
গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ
ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা
সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের
গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন
গাজায় “দ্য ভ্যাপোরাইজড”: এক অনুসন্ধানে এমন ইসরায়েলি অস্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে, যা হাজারো ফিলিস্তিনিকে নিশ্চিহ্ন
নেতানিয়াহুর বন্ধুর কবজায় টিকটক: অ্যালগরিদমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই
গাজা এখন “আল-মসীহ আদ-দাজ্জাল”-এর শাসনের অধীনে
ইহুদি ধর্মগ্রন্থ, জায়নবাদ ও মুসলিমদের জন্য সচেতন পাঠ: ইতিহাস, আদর্শ ও বাস্তবতার মুখোমুখি
ইজরায়েলি সংসদে গাজা বাস্তুচ্যুতি এজেন্ডা: ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে নতুন পরিকল্পনার আলোচনা
সিলেট দা’ওয়াহ সেন্টারে নাসীহাহ সেশন: সবার জন্য দ্বীন শিক্ষায় মসজিদ কেন্দ্রিক উদ্যোগের আহ্বান