ইসরায়েলের নতুন একতরফা মৃত্যুদণ্ড আইনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ৮টি মুসলিম প্রধান দেশ। দেশগুলো হলো- পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর , ইন্দোনেশিয়া, জর্দান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, এই আইনটি স্পষ্টভাবে বৈষম্যমূলক এবং এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে একটি “অ্যাপারথাইড” ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। তারা অভিযোগ করে, ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে এমন নীতি গ্রহণ করছে যা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করছে।
সম্প্রতি ইসরাইলের সংসদে এই বিতর্কিত বিলটি পাস করে। নতুন এই আইনের আওতায়, শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিরা যদি কোনো প্রাণঘাতী হামলার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। তবে একই ধরনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ইহুদি ইসরাইলিদের ক্ষেত্রে এই শাস্তি প্রযোজ্য নয় যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
এই আইনের পেছনে ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক শক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই আইন পাসের জন্য জোরালো চাপ দেন। এটি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু’র জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত ছিল।
উক্ত ৮টি দেশ তাদের বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, ইসরাইলি কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতন, অমানবিক ও অপমানজনক আচরণ, এমনকি খাদ্য ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মতো অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে।
তারা আরও সতর্ক করে দেয়, এই ধরনের একতরফা ও কঠোর আইন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
উল্লেখ্য, এই আইনটি ইতোমধ্যে, ইউনাইটেড ন্যাশন এবং ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও সমালোচিত হয়েছে। তবে ইসরাইলের মিত্র আমেরিকা এই আইনকে দেশটির নিজস্ব আইন প্রণয়নের অধিকার হিসেবে সমর্থন জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ইসরাইলের এ ধরনের আইন প্রণয়ন বিতর্কিত, বিশেষ করে অধিকৃত অঞ্চলে এটির প্রয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
তারিখ : ২ এপ্রিল ২০২৬
কৃতজ্ঞতায় : আল-জাজিরা
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির
হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত
গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?
‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক
গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ
ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা
সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের
গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন
সিলেট দাওয়াহ সেন্টারের উদ্যোগে আলী বাহার চা বাগানে দা'ওয়াতি কার্যক্রম ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান
"সিগারেট নয়, রুটি চাই": গাজায় বিতর্কিত ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিনিরা
বাংলাদেশের হৃদয়ে ফিলিস্তিন: আলেম, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ‘উলামায়ে উম্মাহ’-র প্রতিনিধি দলের ব্যাপক সংযোগ
দ্য ইকোনমিস্ট: গাজায় এখন ইঁদুর ছাড়া সবকিছুই স্থবির
হালাল এওয়ারনেস নেটওয়ার্কের উদ্যেগে রোড ট্রিপ ও নিউক্যাসলে দিনব্যাপী হালাল স্ট্রিট ক্যাম্পেইন সমাপ্ত
গাজায় গণহত্যার নতুন কৌশল: নিভৃতে চলছে নিধন
আল-আকসা দখল হলে আমাদের করণীয় কী ?
‘বাংলাদেশে দ্বীনের খেদমতে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের করণীয়: যুবসমাজ, পরিবার ও ইসলামী পরিচয় রক্ষায় ভূমিকা’ শীর্ষক
গাজায় চরম পানি সংকট: আল-মাওয়াসিতে তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে হাজারো মানুষ
ইসরায়েলের ‘একতরফা মৃত্যুদণ্ড’ নীতি: আট দেশের তীব্র নিন্দা
সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ফিলিস্তিনি মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা ইসরায়েলের
গাজায় নারীদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম পরিবেশও দিচ্ছে না ইসরায়েল: অ্যামনেস্টি
আল-আকসা মসজিদ কি শিগগিরই বন্ধ হতে যাচ্ছে?
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে সুদানের দুর্ভিক্ষ: ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে রমজানের আগমন