ফ্রান্সের একটি আদালত প্যারিসের কাছে একটি মসজিদ ছয় মাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। এতে উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে যে, ফরাসি রাষ্ট্র নিরাপত্তানীতির সীমা পেরিয়ে ইসলামি বিশ্বাস, ধর্মীয় বক্তব্য এবং ইবাদত নিয়ন্ত্রণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
মঁত্রুই প্রশাসনিক আদালত অলনে সু-বোয়া এলাকার শানতেলুপ মসজিদ, যা আত-তাকওয়া মসজিদ নামেও পরিচিত, বন্ধ রাখার আদেশ স্থগিত করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সেইন-সাঁ-দেনির প্রিফেক্ট ২০২৬ সালের ২৭ জুলাই মসজিদটি বন্ধ রাখার যে আদেশ দিয়েছিলেন, তার ফলে মসজিদটি ছয় মাস বন্ধ থাকবে।
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই ঘটনাটি একটি গুরুতর প্রশ্ন সামনে এনেছে। ফ্রান্সে একজন ইমাম কি এখনো নিজের উপাসনালয়ে কুরআনের আয়াত উদ্ধৃত করতে, হাদিসের উল্লেখ করতে এবং ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস নিয়ে বক্তব্য দিতে পারবেন, নাকি এসবকেও হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে?
মসজিদের পক্ষে আইনি লড়াই করা মানবাধিকার আইনজীবী রাফিক শেক্কাতও এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ফ্রান্সের ইমামরা এখনো কি নিজেদের উপাসনালয়ে স্বাধীনভাবে ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ থেকে আয়াত তেলাওয়াত করতে পারবেন?
তিনি প্রশ্ন করেন, “ফ্রান্সে একজন ইমাম কি এখনো যে মসজিদে তিনি বক্তব্য দেন, সেখানে কুরআন উদ্ধৃত করতে পারবেন?” তার এই প্রশ্নই পুরো ঘটনার মূল বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে। শেক্কাতের মতে, কর্তৃপক্ষের যুক্তির একটি অংশ ছিল ইমামদের কুরআনের বিভিন্ন আয়াত উদ্ধৃত করা এবং ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলোর উল্লেখ করা। এর মধ্যে ছিল রিয়াদুস সালেহিন এবং ইমাম নববীর চল্লিশ হাদিসের মতো বিখ্যাত গ্রন্থ। এসব কোনো প্রান্তিক বা অপরিচিত ধর্মীয় গ্রন্থ নয়। সুন্নি ইসলামে এগুলো অত্যন্ত সম্মানিত ও বহুলপঠিত গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ ধর্মীয় উগ্রতা নয়
ইমাম নববী ছিলেন ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম। শত শত বছর ধরে তাঁর রচনাগুলো মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পড়ানো, অধ্যয়ন এবং মুখস্থ করা হয়েছে। রিয়াদুস সালেহিন ও চল্লিশ হাদিস মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত মসজিদ, বাড়ি, ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রন্থাগারে পাওয়া যায়।
এ ধরনের গ্রন্থের উল্লেখকেই যদি স্বভাবতই সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে সাধারণ ইসলামি শিক্ষাকেও রাষ্ট্রের সন্দেহের আওতায় নিয়ে আসা হয়। মুসলমানদের কাছে কুরআন হলো আল্লাহর বাণী। হাদিসের গ্রন্থগুলো মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা ও আদর্শ সংরক্ষণ করে।স একজন ইমামের দায়িত্ব হলো মুসল্লিদের আল্লাহ, আখিরাত, হালাল ও হারাম, জবাবদিহি, রহমত, তওবা, জান্নাত ও জাহান্নাম সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়া। এসব কোনো রাজনৈতিক উগ্রতা নয়। এগুলোই ধর্মীয় শিক্ষা।
ফরাসি কর্তৃপক্ষ মসজিদের বয়ানে জাহান্নামের শাস্তি এবং কুফরের সঙ্গে সম্পর্কিত কবরের আজাবের কথা উল্লেখ করার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে বলে জানা গেছে।
অথচ এসব শিক্ষা ইসলামী আকিদারই অংশ। একইভাবে অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মুক্তি, পাপ, বিচার এবং পরকাল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রকে এসব ধর্মীয় বিশ্বাসে বিশ্বাস করতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যদি সেই রাষ্ট্র ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার দাবি করে, তাহলে কোনো উপাসনালয়ে এসব ধর্মীয় বিষয়ের উল্লেখকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।
ধর্মীয় স্বাধীনতা, নাকি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ?
বিচারকেরা রায় দিয়েছেন, সেইন-সাঁ-দেনির প্রিফেক্ট জুলিয়েন শার্ল ইবাদতের স্বাধীনতা কিংবা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর গুরুতর ও স্পষ্টভাবে বেআইনি কোনো হস্তক্ষেপ করেননি। তবে মসজিদের আইনজীবী দল এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয়। রাফিক শেক্কাত বলেন, এই রায় ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী। তিনি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত রাষ্ট্রীয় পরিষদের কাছে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমরা ধর্মীয় স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি রক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় পরিষদের কাছে আপিল করব।” ধর্মনিরপেক্ষতার প্রসঙ্গটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তাত্ত্বিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হলো, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মতত্ত্ব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে না এবং বৈধ ধর্মীয় ইবাদতে হস্তক্ষেপ করবে না। কিন্তু ফ্রান্সে অনেক মুসলমান ক্রমেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে নিরপেক্ষতা হিসেবে নয়, বরং ইসলামের বিরুদ্ধে নির্বাচিত চাপ হিসেবে অনুভব করছেন।
ইসলামি পোশাক, ইসলামি শিক্ষা, ইসলামি দাতব্য প্রতিষ্ঠান, ইসলামি সংগঠন এবং ইসলামি বক্তব্যকে যখন বারবার হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তখন উদ্বেগটি আর কেবল তাত্ত্বিক থাকে না। মুসলমানদের এমন একটি ইসলাম পালন করতে বলা হচ্ছে বলে অনেকের আশঙ্কা, যা নীরব, অদৃশ্য এবং কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য, যখন তার মৌলিক শিক্ষা ও স্বাতন্ত্র্য বাদ দেওয়া হয়। এটি ধর্মীয় স্বাধীনতা নয়। এটি নিয়ন্ত্রিত ধর্মচর্চা।
মুসলিম প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপের বিস্তৃত ধারা
শানতেলুপ মসজিদের ঘটনাটি ফ্রান্সে মুসলিম প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপের দীর্ঘ ধারাবাহিকতারই অংশ। ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১৮ মাসের সময়কালে ফরাসি কর্তৃপক্ষ ২২টি মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছিল। এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং গোয়েন্দা নথির ওপর নির্ভর করা হয়েছিল, যেগুলোর তথ্য সাধারণ ফৌজদারি মামলার প্রমাণের মতো প্রকাশ্যভাবে যাচাই করা হয়নি।
ফরাসি সরকার ইসলামি সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে কাজ করা সংগঠন এবং বারাকাসিটি নামের একটি দাতব্য সংস্থা। এর ফলে নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে মুসলিম নাগরিক সমাজের কর্মকাণ্ডের পরিসর সংকুচিত করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব পদক্ষেপের সমর্থকেরা প্রায়ই এগুলোকে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরেন।
কিন্তু অনেক মুসলমানের কাছে পরিস্থিতির চিত্র ভিন্ন। তাদের দৃষ্টিতে ইসলামি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্বাভাবিক মাত্রায় নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে এবং কোন ধরনের ইসলামি বিশ্বাস গ্রহণযোগ্য, তার সীমারেখাও ক্রমে রাষ্ট্র নির্ধারণ করছে। এটি একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত তৈরি করছে।
যদি কুরআনের আয়াত উদ্ধৃত করা, ইমাম নববীর গ্রন্থের উল্লেখ করা কিংবা আখিরাত সম্পর্কে আলোচনা করাকে বিপদের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে যেকোনো গভীর ইসলামি ধর্মীয় বক্তব্যকেই রাজনৈতিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে সন্দেহের আওতায় আনা সম্ভব।
ইসলামকে শুধু সাংস্কৃতিক পরিচয়ে সীমাবদ্ধ করা যায় না
ফ্রান্সে ইসলামের প্রতি রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির একটি গভীর সমস্যা হলো, মুসলমানদের তাদের ধর্মকে কেবল সংস্কৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ইসলাম শুধু খাবার, পারিবারিক ঐতিহ্য কিংবা ব্যক্তিগত পরিচয়ের বিষয় নয়। ইসলাম হলো বিশ্বাস, ইবাদত, বিধিবিধান, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং আল্লাহর সামনে জবাবদিহির জীবনব্যবস্থা।
মসজিদ হলো সেই স্থান, যেখানে এসব বিষয় শেখানো ও বাস্তবায়ন করা হয়। মুসলমানরা এখানে নামাজ আদায় করেন, ধর্মীয় উপদেশ শোনেন, কুরআন শিক্ষা করেন, সুন্নাহ অধ্যয়ন করেন, গুনাহ থেকে তওবা করেন এবং আখিরাতের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করেন।
একজন ইমাম যখন মৃত্যু, কিয়ামত, জাহান্নাম কিংবা জান্নাত নিয়ে আলোচনা করেন, তখন তিনি মসজিদে উগ্রতা আমদানি করছেন না। তিনি সেই কাজই করছেন, যা বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা শত শত বছর ধরে করে আসছেন। মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং মানুষকে একদিন তার সৃষ্টিকর্তার কাছে জবাবদিহি করতে হবে। যে রাষ্ট্র ইসলামি ধর্মতত্ত্ব এবং সহিংসতায় উসকানির মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না, শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্র নিজেই ইসলামকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করবে।
মুসলমানদের চোখে দ্বৈত মানদণ্ড
অনেক মুসলমান এখানে স্পষ্ট দ্বৈত মানদণ্ডও দেখতে পান। গির্জা, উপাসনালয় এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় নেতারা মুক্তি, পাপ, সৃষ্টিকর্তার বিচার এবং ধর্মীয় সত্য সম্পর্কে বক্তব্য দিতে পারেন। ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের কাছে এসব বক্তব্য অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। কিন্তু সাধারণত এগুলোকে ধর্মীয় মতপ্রকাশের অংশ হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে মুসলমানেরা যখন একই ধরনের ধর্মীয় ভাষায় কথা বলেন, তখন সেটিকে প্রায়ই নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দ্বৈত মানদণ্ডের কারণে অনেক মুসলমানের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে যে ফ্রান্সে ইসলামকে একটি স্বাভাবিক ধর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং এটিকে এমন একটি সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যাকে পর্যবেক্ষণ, সংস্কার এবং নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এর ফল একীভূত হওয়া নয় বরং বিচ্ছিন্নতা।
মুসলমানদের এমন একটি অবস্থার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যেখানে তাদের পবিত্র গ্রন্থগুলো রাষ্ট্রের সন্দেহের ছাঁকনি দিয়ে দেখলে তবেই গ্রহণযোগ্য। তাদের আলেমদের কর্তৃত্বও তখনই সহ্য করা হয়, যখন সেই কর্তৃত্বকে সীমিত করা হয়। তাদের মসজিদও তখনই নিরাপদ থাকে, যখন সেখানে ইসলামের মৌলিক ধর্মীয় পরিভাষা ও বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করা হয় না। এটি নিরপেক্ষতা নয়। এটি অসম আচরণ।
মসজিদ ও কুরআনের পক্ষে দাঁড়ানো
একটি মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া কোনো ছোটখাটো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। এর ফলে জামাতে নামাজ, কুরআন শিক্ষা, ধর্মীয় সমাবেশ, পারিবারিক রুটিন এবং স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক জীবন ব্যাহত হয়। ছয় মাসের জন্য অলনে সু-বোয়ার যেসব মুসল্লি এই মসজিদের ওপর নির্ভর করতেন, তারা তাদের স্থানীয় উপাসনালয় থেকে বঞ্চিত হবেন। এই বাস্তবতাকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।
যদি কোনো মসজিদ কিংবা কোনো বক্তার বিরুদ্ধে সত্যিকারের অপরাধের অভিযোগ থাকে, তাহলে তার প্রমাণ স্পষ্ট, নির্দিষ্ট এবং ন্যায্যভাবে যাচাই করা উচিত। কিন্তু ইসলামি ধর্মগ্রন্থ, সুন্নি ইসলামের প্রাচীন ও স্বীকৃত আলেমদের রচনা এবং আখিরাত সম্পর্কে সাধারণ ধর্মীয় উপদেশকে শুরু থেকেই সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
মুসলমানেরা এমন কোনো কাঠামো মেনে নিতে পারেন না, যেখানে মসজিদের ভেতর কুরআন উদ্ধৃত করাই একটি মসজিদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই ঘটনার প্রশ্ন তাই প্যারিসের কাছের একটি এলাকার চেয়েও অনেক বড়।
প্রশ্ন হলো, ফ্রান্স কি মুসলমানদের প্রকৃত ইসলাম পালনের সুযোগ দেবে, নাকি কেবল রাষ্ট্র অনুমোদিত এমন একটি সাংস্কৃতিক পরিচয় গ্রহণ করতে দেবে, যেখান থেকে তাদের আকিদা, ধর্মগ্রন্থ এবং নৈতিক সতর্কবার্তাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে?
যে সমাজ স্বাধীনতার কথা বলে, তার একজন ইমামের কুরআন উদ্ধৃত করাকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। আর যে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নিজেকে নিরপেক্ষ বলে দাবি করে, তারও কোন ধর্মীয় বিশ্বাস গ্রহণযোগ্য আর কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়, সে বিষয়ে বিচারকের ভূমিকা নেওয়া উচিত নয়। মুসলমানদের কাছে বিষয়টির উত্তর স্পষ্ট। কুরআন হলো হেদায়াত, সুন্নাহ হলো আলো, মসজিদ হলো আল্লাহর ঘর এবং কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতিই ইসলামের পবিত্র মর্যাদা পরিবর্তন করতে পারে না।
তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৬
কৃতজ্ঞতায়: Sunnah Files Web
ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক
স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
যা আল্লাহর হাতে, তা আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দিন
কিয়ামতের অন্যতম বড় আলামত: দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ও তার ফিতনা থেকে মুক্তির পথ
গাজা যুদ্ধ বন্ধে একের পর এক উদ্যোগ, কিন্তু কেন বারবার ব্যর্থ হলো আলোচনা?
ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশ গাজা শান্তি পরিষদ চুক্তির শর্তাবলি
মুসলিম তরুণদের জন্য সূরা আল-কাহফের ৫টি অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষা
যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ দিনেই একটি মসজিদে হামলা: বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ, শঙ্কায় মুসলিম সমাজ
লন্ডনে AMTC-এর উদ্যোগে উদ্যোক্তা ও ফাউন্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত
উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন
ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো
যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার
গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬
গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী
ফ্রান্সে মসজিদ বন্ধ: মুসলিম সমাজে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের আতঙ্ক
স্কুলে যাওয়ার আগে শিশুকে টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিতে হবে: যুক্তরাজ্যে অভিভাবকদের জন্যও টয়লেট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
যা আল্লাহর হাতে, তা আল্লাহর কাছেই ছেড়ে দিন
কিয়ামতের অন্যতম বড় আলামত: দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ও তার ফিতনা থেকে মুক্তির পথ
গাজা যুদ্ধ বন্ধে একের পর এক উদ্যোগ, কিন্তু কেন বারবার ব্যর্থ হলো আলোচনা?
ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশ গাজা শান্তি পরিষদ চুক্তির শর্তাবলি
মুসলিম তরুণদের জন্য সূরা আল-কাহফের ৫টি অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষা
যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচ দিনেই একটি মসজিদে হামলা: বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষ, শঙ্কায় মুসলিম সমাজ
লন্ডনে AMTC-এর উদ্যোগে উদ্যোক্তা ও ফাউন্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত
উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকিতে ফেলছে চীনের নতুন আইন
ভারসাম্যপূর্ণ জীবন যাপন করো
যুক্তরাজ্যে তাবলিগের ইজতেমায় হামলার আশঙ্কায় ডজনখানেক সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার
গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা; আহত ৬
গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত ইসরায়েলের
বিভাজনের নীতি প্রত্যাখ্যান করে প্রতিরোধের পথেই অবিচল গাজাবাসী