সর্বশেষ
  হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়   শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি   কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’   গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড   গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা   সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন   সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত   ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ   লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত   সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান   লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ   কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ   লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম   লিডসে শায়েখে বাঘা রহঃ-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   বার্মিংহামে শায়েখে বাঘা রহঃ জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত   লন্ডনের সভায় আলেমরা বি এ এস বি কমপ্লেক্সকে সহযোগিতার আহবান জানালেন।   বই- বশীর আহমদ শায়খে বাঘা রহ.   বায়রাক্তার টিবি২ দীপ্তিমান করছে তুরস্কের ভাগ্য   জার্মানিতে বছরে শতাধিক মসজিদে হামলা; উদ্বিগ্ন মুসলিমরা   বুজুর্গ উমেদ খাঁ। চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধারের মহানায়ক!   ডুরান্ড লাইন! পাক - আফগান দ্বন্দ্বের রেড লাইন!   ত্রিপুরা ও বাংলার ঐতিহাসিক সম্পর্ক | পর্ব ২   ত্রিপুরার সাথে ইসলাম এবং বাংলাদেশের সহস্র বছরের যোগসূত্রের সন্ধানে!   আসামের বর্তমান পরিস্থিতি!   আসামে ইসলামের আগমন ও এন আর সি ক্রাইসিস।   নবাব নুর উদ্দিন মুহাম্মদ বাকের জং। ইতিহাসে ঠাঁই না পাওয়া বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব!   প্রাক-ইসলামিক আরব। ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতি।   ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষের অবিচ্ছিন্ন জলপথ আবিষ্কার।   আফ্রিকার বুকে পর্তুগীজ কলোনি স্থাপনের ইতিহাস।   পূর্ব আফ্রিকায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্থাপন, শোষণ ও ফলাফল   ধর্ষণের আলামত যেভাবে পরীক্ষা করা হয়।   মেটাভার্স   বাংলাদেশের সাথে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক   লিবারেলিজম।   ইউরোপে ইসলাম বিদ্বেষের উত্থান।    পাকিস্তানে ইসলামী দল, তেহরিক-ই-লাব্বাইক নিষিদ্ধের ঘোষণা।   ২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?   ২০০২ সালের গুজরাট গণহত্যা ও নরেন্দ্র মোদি   রিবা নির্মূল হতে পারে সীরাতের পন্থায়!   ১৯৯১ সালে কাশ্মীরের কুনান ও পোশপোরায় গণধর্ষণ। আজও বিচার হয়নি।   নজরদারি: ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত’   ব্যবসার সঙ্গে অন্য সংস্কৃতিকে যুক্ত করার এজেন্ডা!

২০২০ সালের দিল্লি সহিংসতা ছিল একটি সংগঠিত, পরিকল্পিত ‘প্রোগ্রাম’। এবং কেন?

৮ মার্চ ২০২১ ০৮:২৫ পূর্বাহ্ণ

    শেয়ার করুন

আমিনা খান ও ইশিতা চক্রবর্তী। অনুবাদঃ হোসাইন আহমদ।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (CAA) পাস হওয়ার পরে, ভারতের মুসলিম সম্প্রদায় ও নাগরিক অধিকারকর্মীদের ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য অভূতপূর্ব প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।

তবে, প্রতিবাদকারীদের তখন পুলিশী বর্বরতার শিকার হতে হয়েছিল। সাথে মিডিয়াও অন্যায়ভাবে তাদেরকে "দেশ-বিরোধী" এবং "জিহাদি" হিসাবে চিহ্নিত করেছিল। এমনসব ধারণা সৃষ্টিতে শাসকগুষ্ঠি হিন্দু-জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পরিকল্পিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন। আঞ্চলিক নির্বাচনের আগেও তারা দিল্লিতে অন্যতম বড় এমন একটি সাম্প্রদায়িক নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছিল।

পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল যে, এই নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পরে বিজেপির মন্ত্রী কপিল মিশ্রা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন।

২০২০ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী, এই এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েক দিন স্থায়ী ছিল এই সহিংসতা। এতে ৫৩ জন নিহত ও ২৫০ জন আহত হয়, যার বেশিরভাগ মুসলিম ছিলেন। বাস্তুচ্যুত হয় ২ হাজার মানুষ।

সরকার এবং গণমাধ্যমগুলি এই সহিংসতাটিকে "দাঙ্গা" হিসাবে দ্রুতই চিহ্নিত করে। এখন পর্যন্ত ২০২০  সালের ফেব্রুয়ারির এই ঘটনাকে ব্যাপকভাবে এই শব্দ দিয়েই উল্লেখ করা হচ্ছে। কিন্তু সেসময় যা ঘটেছে তার বর্ণনা দেওয়ার জন্য সঠিক শব্দটি হল "প্রোগ্রাম"।

দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশন (ডিএমসি) দ্বারা গঠিত একটি অনুসন্ধান কমিটির চুড়ান্ত উপসংহার ছিল এটাই। ডিএমসি হল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। তাদের কমিটি ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি এবং প্রাথমিক আইনী উৎস পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে সংঘটিত ঘটনা "প্রোগ্রামের" সংজ্ঞায় পরে।

ঐতিহাসিকভাবে এই টার্ম ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি বিরোধী সহিংসতার কথা উল্লেখ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। তবে "প্রোগ্রাম" শব্দটি এখন দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে সংখ্যালঘু বিরোধী সহিংসতার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হচ্ছে। ধর্মীয় কারণে যেখানে নিয়মিত সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। প্রোগ্রাম হল জাতিগত সহিংসতার জন্য ব্যবহৃত পরিকল্পিত পদক্ষেপ। যার মাধ্যমে একটি সম্প্রদায়কে "তাদের স্থান" দেখিয়ে দেয়ার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়। কিংবা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের কল্পিত অপরাধের প্রতিশোধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এর লক্ষ্য থাকে সংখ্যালঘু বিরোধী সহিংসতায় সাধারণ জনগণকে সংবেদনশীল করে তোলা এবং একটি "চূড়ান্ত সমাধানের" দিকে এগিয়ে যাওয়া। এতে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা উঠে আসে সেটা হল, পরিকল্পনা, উস্কানি অথবা নিষ্ক্রিয়তা ও সহনশীলতার মাধ্যমে প্রোগ্রামগুলোতে রাষ্ট্রের অংশগ্রহণ স্পষ্ট প্রতিভাত হয়।

ভারতীয় কনটেক্সটে, প্রোগ্রাম পরিভাষাটি এর আগেও দুবার ব্যবহৃত হয়েছিল। গুজরাট গণহত্যা (২০০২)।  এবং শিখবিরোধী সহিংসতা (১৯৮৪)। দুক্ষেত্রেই দেখা গেছে বিভিন্ন ব্যক্তিরা এর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের সাহায্য নিয়েছে।

ডিএমসির অনুসন্ধান বলছে সহিংসতাটি সংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছিল। গভীর পরিকল্পনা করে সময় মতো উস্কে দেয়া হয়েছে। তারপর টার্গেটকৃত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। ভিক্টিমরা বারবার বলেছেন, তারা যদিও কিছু দুষ্কৃতকারীকে স্থানীয় হিসেবে চিনতে পেরেছেন, কিন্তু বেশিরভাগকেই বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। সিসিটিভি ক্যামেরা সহ অপরাধীদের সনাক্তকরণে সাহায্য করতে পারে এমন সবকিছুই ধ্বংস হয়েছিল। দাঙ্গার ক্ষেত্রে এমন পরিকল্পিত কাজ হয় না।

সহিংসতার আগেই মুসলিমদের দোকান ও বাড়িগুলি চিহ্নিত করা হয়েছিল। এজন্য অত্যন্ত সাবধানে কেবল তাদের উপরই হামলা করা হয়। অথচ তাদের আশেপাশের কাউকেই টাচ পর্যন্ত করা হয়নি। যে মহিলারা "দৃশ্যমান মুসলিম" ছিলেন, তাদের নির্দিষ্টভাবে আক্রমণ করা হয়। তাদের হিজাব টেনে খুলে ফেলা হয়। এবং কাউকে কাউকে যৌন নির্যাতনও করা হয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তারা মহিলাদেরকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে বলেও অভিযোগ এসেছে।

দুস্কৃতিকারিরা মসজিদ ও মাজারে আক্রমণ করে। এমনকি ধর্মীয় গ্রন্থ তারা পুড়িয়ে দেয়। লোহার রড, লাঠি, ট্রিডেন্ট, বর্শা এবং গোলাবারুদ সহ চুড়ান্ত ধংসযজ্ঞের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার, আগুন এবং পেট্রোল বোমা ব্যবহার করা হয়। ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রের দিকে তাকালে স্পষ্ট বুঝা যায়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হত্যা, ধ্বংস ও ত্রাস সৃষ্টির অভিপ্রায়ে তা ব্যবহার করা হয়েছে।

একাধিক জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, পুলিশের সামনেই সহিংসতা শুরু হলেও তারা এর প্রতিকারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি তারা। কিংবা বহুবার ফোন করা সত্ত্বেও পুলিশ আসে না। এমনকি কমপক্ষে একবার এমনও হয়েছে যে, পুলিশ ঐ এলাকায় টহলরত আছে। কিন্তু এই বলে সহায়তা করতে অস্বীকার করেছে যে, “তাদের কাছে নির্দেশ আসেনি”।  

এসব ইংগিত দেয়, সহিংসতা রোধে দায়িত্ব পালন না করা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কিংবা এটা শুধুমাত্র স্থানীয় একটি প্রশাসনের ব্যর্থতা ছিল না। বরং এটা বেশ কয়েক দিন ধরে ইচ্ছাকৃতভাবে চালানো নিষ্ক্রিয়তার একটি নমুনা ছিল।

এমনকি ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। যেসব স্থানে পুলিশ সময়মত এসে পৌঁছেছিল, এবং তারা চাচ্ছিল হাঙ্গামা ভেঙে দেবে। তখন বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তা তাদের সহকর্মীদের থামিয়ে দিয়েছিলেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদেরকে দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এসময় উশৃংখল জনতা "দিল্লি পুলিশ জিন্দাবাদ" বলে উল্লাস করছিল। অন্যান্য স্থানে, তারা অপরাধীদের তাদের তাণ্ডব চালিয়ে যাওয়ার জন্য স্পষ্টভাবে অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছিল।

সহিংসতার পরে, দিল্লি পুলিশ, যা সরাসরি বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কমান্ডে পরিচালিত হচ্ছিল। তারা বিজেপি বা মিত্র দলের এমন কোন নেতার বিরুদ্ধেই তদন্তের ব্যবস্থা করেনি, যাদের বিরুদ্ধে উচ্ছৃংখল জনতাকে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। অথচ এদের ব্যাপারে বেঁচে যাওয়া অনেকের জবানবন্দি ও অন্যান্য প্রমাণাদি রয়েছে।

বিপরীতে নিপীড়িতদেরকেই অভিযুক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্কারভাবে সেটা প্রতিশোধমূলক ছিল। কখনো পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তারা অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ফাইল খুলতে অস্বীকার করেছে।

পরিবর্তে দিল্লি পুলিশ একটি বিবরণ সামনে নিয়ে আসে। যাতে অভিযোগ আনা হয়, দেশের বদনাম করতে বিভিন্ন দল ও গুষ্টি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বেশ কিছু ছাত্রকে, যাদের বেশিরভাগ মুসলিম- সন্ত্রাস বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে অভিযুক্ত করা হয়। এমন মামলায় জামিন পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

বর্তমানে ভারতীয় সংখ্যালঘু, বিশেষত মুসলিমদের সাথে চলা এমন অমানবিক আচরণ এবং তাদের উপর চালানো ডিহিউম্যানাইজেশন প্রক্রিয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবেও মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ২০২০ সালের এপ্রিলে, আমেরিকার “আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কিত কমিশন (USCIRF) একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যাতে  সৌদি আরব এবং উত্তর কোরিয়ার পাশাপাশি ভারতকে বিশেষ উদ্বেগের দেশ হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।

প্রতিবেদনটিতে দেখা গেছে যে, "২০১৯ সালে ভারতের অবস্থান তীব্র নিম্নমুখী হয়ে পড়েছিল। জাতীয় সরকার তার শক্তিশালী সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ব্যবহার করে ভারতব্যাপী, বিশেষত মুসলমানদের জন্য ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনকারী নীতিমালার প্রতিষ্ঠা করেছিল।" এতে এও উল্লেখ করা হয় যে কিভাবে CAA ও NRC যৌথভাবে মুসলমানদের "রাষ্ট্রহীন, নির্বাসিত করে দিতে পারে। এবং দীর্ঘকালীন ডিটেনশনে আটকে রাখতে পারে”।

তবে, ভারত সরকার এই প্রতিবেদনটি দ্রুত প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা USCIRF কে "ভুল উপস্থাপনা" করার জন্য অভিযুক্ত করেছে। সর্বশেষ ২০০২ সালে গুজরাট প্রোগ্রামের পরে ভারতকে এই তালিকার রাখা হয়েছিল। যা গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তত্ত্বাবধানে ঘটেছিল।

জেনোসাইড প্রতিরোধে কাজ করা বিশ্বব্যাপী আন্দোলন জেনোসাইড ওয়াচ, ভারতকে তাদের সতর্কতার তালিকায় রেখেছে। জেনোসাইডের পথের যে ১০টি ধাপ রয়েছে, সেখানে ভারত পাঁচ নম্বর ধাপে রয়েছে; অর্থ্যাত সংঘবদ্ধতা।

বিগত কয়েক বছর ধরে বিজেপি সাবধানতার সাথে এই ন্যারেটিভ উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে যে, মুসলিমরা "বিদেশী"। এবং তাদের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, এবং ভাষাগত পরিচয় "হিন্দু" সংখ্যাগরিষ্ঠের থেকে "একেবারে আলাদা"। এ দিয়ে পোলারাইজ এবং ঘৃণার বিস্তারে করা হচ্ছে। অথচ নাগরিকত্ব একটি জাতি-রাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় স্থান গ্রহণ করে থাকে।

কারা এদেশের অংশ, সেটা নির্ধারণে বিজেপির প্রচেষ্টার সাথে, ১৯৩৫ সালের নাৎসি নাগরিকত্ব আইনের হুবহু সাদৃশ্য পাওয়া যায়। যা ইহুদিদের জেনোসাইডের পথের প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাদেরকে জেনোসাইডের "চূড়ান্ত সমাধান" এর মতো লোমহর্ষক স্তরে পৌছার আগেই এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই প্রবন্ধের লেখকদ্বয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লির সহিংসতা সম্পর্কিত দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশনের রিপোর্টের গবেষণার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছিলেন। তবে, এখানে বর্ণিত তাদের মত ও যুক্তিগুলি লেখকদ্বয়ের নিজস্ব। এতে থাকা সবগুলো বিষয়বস্তুই DMC এর মতামত প্রতিফলিত করে না।

( এই লেখাটি ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ আল জাজিরা নিউজে প্রকাশিত হয়।

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

হামলা যেদিকে আসে মোকাবিলাও সেদিকে করতে হয়

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

শায়খে বাঘা রহ.’এর নামে পাকিস্তানে মসজিদ নির্মাণ করছে সিম্পল রিজন চ্যারিটি

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির গবেষণা ‘জেনোসাইড ইন মায়ানমার’

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গ্রন্থ পর্যালোচনা: দ্যা রুম হোয়ার ইট হ্যাপেন্ড

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

গ্রন্থ পর্যালোচনা: ইবনে খালদুনের দ্য মুকাদ্দিমা

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে সুনামগঞ্জে শীতকালীন ফুড এইড কার্যক্রম সম্পন্ন

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেটে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যেগে ফ্রি সুন্নাতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

ইস্তাম্বুলে হালাল ফুড এক্সপোতে দ্য এসোসিয়েশন অব হালাল রিটেইলারস ইউকের অংশগ্রহণ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

লন্ডনে সিম্পল রিজন চ্যারিটির উদ্যোগে 'সেবার মাধ্যমে দাওয়াহ' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিম্পল রিজনের সহযোগীতায় বগুড়ায় দাওয়াহ হালাকাহ অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

সিলেটে নববী দাওয়াহ : পদ্ধতি ও শিক্ষা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

নোয়াখালীতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সিম্পল রিজনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

লক্ষীপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিম্পল রিজন চ্যারিটির ত্রাণ বিতরণ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

কুরবানি, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিধান। মুফতি শরীফ মোহাম্মদ সাঈদ

The Global Affairs - সর্বশেষ সংবাদ ও শিরোনাম

লন্ডনে সিম্পল রিজনের অফিস পরিদর্শন করলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম

the global affairs google play logo the global affairs apple logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হোসাইন আহমদ

info@theglobalaffairs.info